কুশল দাশগুপ্ত, শিলিগুড়িঃ
ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত সংলগ্ন মেঘালয়ের পূর্ব গারো পাহাড় এলাকায় ৩.০ মাত্রার একটি মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটার গভীরে এই কম্পনের উৎসমুখ ছিল বলে জানা গেছে। গত ১৭ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত দক্ষিণ এশিয়ার ভূমিকম্প পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ (রবিবার) সকালে এই কম্পন অনুভূত হয়।
মৃদু মাত্রার এই ভূমিকম্পে বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর না মিললেও সীমান্ত সংলগ্ন বিস্তৃত এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে সাময়িক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
আরও পড়ুনঃ সাক্ষাৎ যমদূত চলন্ত ট্রেনে, ট্রেনে ঘুরে বেড়াচ্ছে মস্ত বড় বিষাক্ত কালাচ সাপ! হুঁশ কই রেলের?
ভূমিকম্পের সার্বিক চিত্র ও ভৌগোলিক স্থিতি
ভূমিকম্প সংক্রান্ত প্রধান প্রধান তথ্য নিচে একনজরে তুলে ধরা হলো:
| বিষয় ও ক্ষেত্র | বিবরণ ও ডেটা |
| কম্পনের সময় | ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সকাল (ভারতীয় সময়) |
| রিকটার স্কেলে মাত্রা | ৩.০ (মৃদু) |
| কেন্দ্রস্থল (Epicenter) | পূর্ব গারো পাহাড়, মেঘালয়, ভারত |
| উৎসের গভীরতা | ভূপৃষ্ঠ থেকে ৫ কিলোমিটার গভীরে |
আরও পড়ুনঃ কালো ধোঁয়ায় ঢাকল আকাশ; রিয়াধের বিমানবন্দরে হামলা হুথিদের, চরম বিপদে পর্যটকরা
প্রভাবিত এলাকা ও অনুভূতির মাত্রা
উৎসমুখ মেঘালয়ের গভীরে হলেও এর প্রভাব অনুভূত হয়েছে পার্শ্ববর্তী আসাম রাজ্য এবং ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত সংলগ্ন বিস্তীর্ণ অঞ্চলে:
-
মেঘালয় (ভারত): পূর্ব ও পশ্চিম গারো পাহাড় সংলগ্ন রাসুবেলপাড়া, তুরা ও উইলিয়ামনগর অঞ্চলে স্থানীয় বাসিন্দারা মৃদু ঝাঁকুনি অনুভব করেন।
-
আসাম (ভারত): রাজ্যের নিম্ন আসামের ধুবরি, গৌরীপুর, গোবিন্দপুর, গোয়ালপাড়া, কোকরাঝাড়, বরপেটা ও বিলাসীপাড়া এলাকায় কম্পন টের পাওয়া যায়।
-
বাংলাদেশ ও সীমান্ত অঞ্চল: ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকা ছাড়াও বাংলাদেশের নেত্রকোনা, শেরেমেনপুর ও মঙ্গলপুর সংলগ্ন কিছু জায়গায় মৃদু কম্পন অনুভূত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, উত্তরপূর্ব ভারত এবং সংলগ্ন সীমান্ত এলাকা অত্যন্ত ভূ-কম্পনপ্রবণ (Seismic Zone V) হওয়ায় মাঝেমধ্যেই এমন মৃদু কম্পন দেখা যায়। তবে এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।


