Sunday, 20 September, 2026
20 September
Homeদক্ষিণবঙ্গGoghat: বাঘাযতীনের পর এবার গোঘাট, সিপিএম পার্টি অফিসে তাণ্ডব, ভাঙা হলো রবীন্দ্রনাথ-বুদ্ধদেবের ছবি;...

Goghat: বাঘাযতীনের পর এবার গোঘাট, সিপিএম পার্টি অফিসে তাণ্ডব, ভাঙা হলো রবীন্দ্রনাথ-বুদ্ধদেবের ছবি; কাঠগড়ায় বিজেপি

পার্টি অফিসের বাইরে রাখা লাল ঝাণ্ডা পুড়িয়ে দেওয়া হয় এবং ভেতরে কবিগুরু ও বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের ছবির ফ্রেম ভেঙে ফেলা হয়।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

বিশেষ সংবাদ প্রতিনিধি, হুগলি:

শনিবার রাতে বাঘাযতীনের সিপিএম পার্টি অফিসে হামলার টাটকা স্মৃতির মধ্যেই এবার হুগলির গোঘাটে আক্রান্ত হলো সিপিএমের কার্যালয়। গোঘাট রেজিস্ট্রি অফিস সংলগ্ন গোঘাট-১ নম্বর এরিয়া কমিটির লাল পার্টি অফিসে হামলা, মারধর ও ব্যাপক ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। কেবল পার্টি অফিসের দরজা-জানালাই নয়, ভাঙচুর করা হয়েছে ভেতরে থাকা শহিদবেদি, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের ছবির ফ্রেম। ছিঁড়ে ও পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে দলের লাল পতাকা।

এই ঘটনার জেরে বাতিল করতে হয়েছে সিআইটিইউ (CITU)-র পূর্বনির্ধারিত একটি সম্মেলন। ঘটনার পর গোঘাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে সিপিএম।

আরও পড়ুনঃ  চাঞ্চল্যকর অভিযোগ; বিধানসভায় মমতাকে হারানোর ছক ক্যামাক স্ট্রিট থেকেই!

ঘটনার সূত্রপাত ও আক্রমণের বিবরণ

ঘটনার বিস্তারিত ও ক্ষয়ক্ষತಿಯ চিত্র নিচে তুলে ধরা হলো:

বিষয় ও ক্ষেত্র অভিযোগ ও ঘটনার বিবরণ
ঘটনার কারণ সিআইটিইউ (CITU)-র সম্মেলন উপলক্ষে এলাকায় দলীয় পতাকা লাগানোকে কেন্দ্র করে বচসার সূত্রপাত। বিজেপি সমর্থকেরা পতাকা খুলতে বললে সিপিএম কর্মী-সমর্থকেরা অস্বীকার করেন।
শারীরিক আক্রমণ প্রবীণ সিপিএম নেতা তথা হুগলি জেলা কৃষক সমিতির সভাপতি ভাস্কর রায়কে মারধর এবং তাঁর মোবাইল ফোন ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ।
অফিস ভাঙচুর ও রান্নাবান্না পণ্ড সম্মেলনের জন্য রাতে চলা রান্নাবান্নার আয়োজন নষ্ট করে দেওয়া হয়। দরজা-জানালা ভেঙে অফিসে ইটের টুকরো ও কাচ ছড়িয়ে ছিটিয়ে রেখে তাণ্ডব চালানো হয়।
পতাকা ও ছবি অবমাননা পার্টি অফিসের বাইরে রাখা লাল ঝাণ্ডা পুড়িয়ে দেওয়া হয় এবং ভেতরে কবিগুরু ও বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের ছবির ফ্রেম ভেঙে ফেলা হয়।

আরও পড়ুনঃ গঙ্গার নিচে মেট্রোর অনেক আগেই কলকাতায় তৈরি হয়েছিল ইতিহাস; শতবর্ষ প্রাচীন ক্যাবল টানেল

রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া ও অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ

ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছে তীব্র চাপানউতোর:

  • সিপিএমের বক্তব্য:

    আক্রান্ত প্রবীণ নেতা ভাস্কর রায় বলেন, “আমাকে পতাকা খুলে নিতে বলা হয়েছিল। আমি না বলায় মারধর করা হয়েছে।”

    সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তী তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “বিজেপি লুম্পেনদের ওপর নির্ভর হয়ে পড়ছে। গতকাল যাদবপুর ও সোনারপুরের পর আজ আরামবাগে তাণ্ডব চালাল। বাংলার মণীষী রবীন্দ্রনাথ ও প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের ছবি ভেঙেছে এরা। এই অসভ্যতা সাধারণ মানুষ মেনে নেবে না।”

  • বিজেপির সাফাই:

    বিজেপির বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন গোঘাটের বিজেপি বিধায়ক প্রশান্ত দিগার। তাঁর দাবি, “তৃণমূলের একটি অংশ সিপিএমের সঙ্গে যুক্ত হয়ে গেছে। এটি সম্পূর্ণ সিপিএমের নিজেদের অভ্যন্তরীণ গোষ্ঠী কোন্দলের ফল। নিজেরা মারামারি করে বিজেপির ওপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করছে।”

পতাকা লাগানোকে কেন্দ্র করে ঘটে যাওয়া এই হামলা বিরোধী দলের গণতান্ত্রিক অধিকারের ওপর আক্রমণ কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সিপিএম নেতৃত্ব। আপাতত পরিস্থিতি থমথমে থাকায় এলাকায় পুলিশি নজরদারি রয়েছে।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন