Monday, 12 October, 2026
12 October
HomeদেশDhruv Rathee: জার্মানি থেকে ভারতে এসেই বেলুন চুপসে গেলো! ‘সিজেপির সঙ্গে আমার...

Dhruv Rathee: জার্মানি থেকে ভারতে এসেই বেলুন চুপসে গেলো! ‘সিজেপির সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই’; দাবি ধ্রুবর

সিজেপি নেতা অভিজিৎ দীপকে ও সৌরভ দাসের সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্বের সুবাদে এর আগে নিট প্রশ্নফাঁস কাণ্ডেও তাঁকে যোগাযোগ রাখতে দেখা গিয়েছিল

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

বিশেষ জাতীয় প্রতিনিধি, নতুন দিল্লি:

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) সংক্রান্ত ‘ভোট চুরি’র অভিযোগে দেশজুড়ে চলা রাজনৈতিক প্রতিবাদের পারদ চড়েছিল তুঙ্গে। আর এই সমস্ত উত্তাপের মাঝেই বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এলেন জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠি। ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)-র সঙ্গে নিজের কোনো সাংগঠনিক যোগ নেই বলে সাফ জানিয়ে দিলেও, খোদ জার্মানি থেকে ভারতে এসে এই বিক্ষোভে অংশ নেওয়ায় এবং দীর্ঘ ২০ ঘণ্টারও বেশি সময় পুলিশি হেফাজতে থাকার ঘটনায় শোরগোল পড়ে গেছে রাজনৈতিক মহলে।

আরও পড়ুনঃ  ‘সাক্ষাতের কোনো সুযোগ নেই, পিটিশন ফাইল করুন’: বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’কে বড় ধাক্কা প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের

সিজেপির সঙ্গে যোগ নেই, দাবি ধ্রুবর

জার্মানিতে বসবাসকারী ধ্রুব রাঠি ভারতের রাজনীতি ও বিভিন্ন সামাজিক নীতি নিয়ে নিজের ইউটিউব ভিডিয়োগুলির জন্য তরুণ প্রজন্মের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়। সাম্প্রতিক সময়ে নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে জোরালো প্রশ্ন তুলে খবরের শিরোনামে এসেছেন তিনি।

সিজেপি-র সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের গুঞ্জন নিয়ে ধ্রুব স্পষ্ট করেছেন যে, তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি বা সদস্য হিসেবে ভারতে আসেননি। স্রেফ একজন সচেতন নাগরিক ও সাধারণ মানুষ হিসেবেই গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষার লড়াইয়ে শামিল হতে তিনি দেশে ফিরেছেন। সিজেপির কোনো পদে তিনি নেই, দলটির সঙ্গে তাঁর কেবল ব্যক্তিগত সুসম্পর্ক রয়েছে (যেমন সিজেপি নেতা অভিজিৎ দীপকে ও সৌরভ দাসের সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্বের সুবাদে এর আগে নিট প্রশ্নফাঁস কাণ্ডেও তাঁকে যোগাযোগ রাখতে দেখা গিয়েছিল)।

বেঙ্গালুরু থেকে দিল্লি: যেভাবে এগোলো আন্দোলন ও গ্রেপ্তারির নাটক

  • বেঙ্গালুরুর মঞ্চ: গত ৮ অক্টোবর বেঙ্গালুরুতে সিজেপির ডাকা বিক্ষোভে হঠাৎই হাজির হন ধ্রুব রাঠি। মঞ্চ থেকে এসআইআর প্রক্রিয়া এবং নির্বাচন প্রক্রিয়ায় কারচুপির কড়া সমালোচনা করে তিনি জানান, গণতন্ত্র বাঁচাতে হলে নির্বাচন কমিশনকে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে কাজ করতেই হবে। ‘ভোট চুরি’র গুরুতর অভিযোগকে হালকাভাবে নেওয়া যায় না।

  • দিল্লিতে আসার পরই বিপত্তি: এরপর গত ১০ অক্টোবর দিল্লির যন্তর মন্তরে সিজেপির বিক্ষোভে যোগ দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল তাঁর। দিল্লির ইন্ডিয়া গেটের সামনে থেকে একটি ভিডিয়ো প্রকাশ করে তিনি আরও বেশি মানুষকে এই প্রতিবাদে সামিল হওয়ার আহ্বানও জানান।

  • ২০ ঘণ্টার পুলিশি হেফাজত: কিন্তু যন্তর মন্তরে পৌঁছানোর আগেই ১০ অক্টোবর সকালে গুরুগ্রামে তাঁর অবস্থানের জায়গায় হানা দেয় পুলিশ। তাঁকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় হেফাজতে। একটানা ২০ ঘণ্টারও বেশি সময় তাঁকে আটকে রাখা হয়। মুক্তির পর ধ্রুব অভিযোগ করেন, পুলিশ তাঁকে শোয়ার ঘর থেকে টেনেহিঁচড়ে বের করে নিয়ে গিয়েছিল এবং সেই টানাপড়েনে তিনি আঘাতও পেয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ  ষড়যন্ত্রের শঙ্কা! ঢাকায় ককরোচ জনতা পার্টির সমর্থনে ইসলামপন্থীরা বাঁধছে জোট

‘গণতন্ত্র থেকে একনায়কতন্ত্রের দিকে এগোচ্ছে দেশ’

নিজের অবস্থান পরিষ্কার করতে গিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন এই ইউটিউবার। তাঁর মতে, গণতন্ত্র এবং একনায়কতন্ত্রের মধ্যে সীমারেখা সবসময় পরিষ্কার থাকে না, তবে ২০১৪ সালের তুলনায় ভারত ক্রমশ একনায়কতন্ত্রের দিকে এগিয়ে চলেছে। কেন্দ্রীয় সরকারের কাজকর্ম ও নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে তাঁর এই কড়া আক্রমণ দেশজুড়ে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক উসকে দিয়েছে।

ভোটার তালিকা সংশোধন ও ভোট চুরির অভিযোগ নিয়ে বিরোধী দলগুলির লাগাতার আন্দোলনের মাঝে ধ্রুব রাঠির মতো প্রভাবশালী সোশ্যাল মিডিয়া ব্যক্তিত্বের এই গ্রেপ্তার ও প্রতিবাদী ভূমিকা বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও বেশি জটিল করে তুলেছে।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন