মাস্কের ইন্টারনেটও খুব দামী l তাহলে কিনবে কে? কিনবে সে, যে নিজের সব তথ্য গোপন রাখতে চায় l খুন করে খুনি পালিয়ে গেলে পুলিশ খুঁজে পাবে না l বোম সেট করে করাচি পালিয়ে গেলে তাঁকে ধরা যাবে না l হটাৎ দাঙ্গা বাঁধিয়ে দিলে ধরা যাবে না l
এমনিই আমাদের অপারেটিং সিস্টেম, কম্পিউটার ল্যাঙ্গুয়েজ, সার্চ ইঞ্জিন, সোশ্যাল মিডিয়া কোনটাই আমাদের না l এর উপর যদি এমন ইন্টারনেট আসে যে আপনি ধরতেই পারলেন না কে খুনি, দেশের আইন কানুন তো যেকোনো সময় ভেঙে পড়বে l যা হয়েছে বাংলাদেশ, নেপাল, শ্রীলঙ্কায় l
কিন্তু কেন ভারত টার্গেট?
১. আমেরিকা ৪০,০০০,০০০,০০০,০০০ ডলার লোন করে আছে l প্রতি দিন ৬,০০০,০০০,০০০ ডলার লোন নেয় তাঁদের সরকারি খরচ চালাতে l BRICS শক্তিশালী হলে এই টাকা শোধ করতে হবে সারা পৃথিবীকে l নতুন লোন কেউ দেবে না তাদের সামাজিক প্রকল্প চালাতে l নৈরাজ্য শুরু হবে সেদেশে l
২. মাস্কের কোম্পানিতে বড় পরিমান বিনিয়োগ সেই দেশের মিলিটারি l আমেরিকা যদি নতুন লোন না পায়, কে বিনিয়োগ করবে ওর কোম্পানিতে? মাস্কের আজ অ্যাসেট এক ট্রিলিয়ন ডলার l কিন্তু ধার ১৩ বিলিয়ন ডলার l যদি শেয়ার হোল্ডাররা শেয়ার ডাম্প করা শুরু করে ওর শেয়ারের দাম এমনি নামবে যে টা ১৩ বিলিয়ন ডলারের নিচে নামাবে ওর এসেট l তাতে মাস্কের দেউলিয়া হওয়া সময়ের অপেক্ষা l আর তাই প্রয়োজন একটা নতুন বড় মুরগি l শ্রীলঙ্কা বাংলাদেশ বা নেপাল যা পারবে না l আর সেখানেই ভারতে ঢোকার কথা মাথায় আসে মাস্কের l মাস্কের ইন্টারনেট ব্যাবহার করে বিভিন্ন দেশের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন l সাধারণ মানুষের প্রয়োজন পড়বে না এই দামী ইন্টারনেট l
৩. ভারত FCRA আইন পাশ করাবেই এবং মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি কিছুতেই মানবে না l যার ফলে ট্রাম্পের নভেম্বরে হার নিশ্চিত l তাই ভারতকে নেপাল বানানোর একটা শেষ চেষ্টা l
আরও পড়ুনঃ মাঝগঙ্গায় নৌকাডুবি; গঙ্গায় উল্টে গেল নৌকা, একাধিক শিশু-সহ ১৩ জনের মৃত্যু
নভেম্বরে মার্কিন কংগ্রেস ভোট হয়ে গেলে রাতারাতি আরশোলা আন্দোলন বন্ধ হয়ে যাবে l কারণ বিনিয়োগ বন্ধ করবে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো l ফলে পুজোর সময় একটু কাটাকুটি খেলা দেখুন l ১ লা ডিসেম্বর কোন আরশোলা পাবেন না l লিখে নিন l কলকাতা টিভি যেমন উঠে গেছে মমতা ব্যানার্জী হারার পরে, ট্রাম্প হারলে তেমনি উঠে যাবে সিজেপি l আর ৪৮ দিন আরশোলার আয়ু l


