পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় পর্যায়ের ভোটকে সামনে রেখে রাজধানী কলকাতার ঐতিহ্যবাহী ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে শুরু হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর মার্চ। সোমবার সকাল থেকে কেন্দ্রীয় রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স-এর জওয়ানরা ভবানীপুরের বিভিন্ন এলাকায় পায়ে হেঁটে মার্চ করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছেন। এই মার্চ দেখে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে একদিকে স্বস্তি, অন্যদিকে কৌতূহল দেখা গেছে।
আরও পড়ুনঃ ভোটের আগে স্পর্শকাতর এলাকায় NIA-র বিশেষ তদারকি
দ্বিতীয় পর্যায়ের ভোট আগামী ২৯ এপ্রিল। তার আগে কলকাতার সবকটি বিধানসভা কেন্দ্রে কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতি বাড়ানো হয়েছে। ভবানীপুর কেন্দ্রটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঐতিহ্যবাহী আসন। এখানে সিআরপিএফ-এর উপ-কমান্ড্যান্ট নীলকমল ভারদ্বাজ সাংবাদিকদের বলেন, “কলকাতার সব কেন্দ্রেই বড় সংখ্যায় সিআরপিএফ জওয়ান মোতায়েন করা হয়েছে।
আমরা সব পোলিং স্টেশন, ভোটারদের চলাচলের রাস্তা, হাইপার-সেনসিটিভ বুথ এবং সাধারণ বুথগুলোতে টহল দিচ্ছি।”তিনি আরও বলেন, “যদি কোনো গুন্ডা বা অপরাধী থেকে থাকে, তাহলে তারা হয় লুকিয়ে পড়েছে অথবা অন্য জায়গায় সরে গেছে। কারণ এখানে তাদের দেখা যাচ্ছে না। আমরা নিশ্চিত করতে চাই যে, ভোটাররা সম্পূর্ণ নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে আসতে পারবেন এবং তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।”
আরও পড়ুনঃ ধোপে টেকেনি ‘সিংঘম’ মামলা, পুলিশ পর্যবেক্ষক অজয়কে নিয়ে হস্তক্ষেপ করলই না হাই কোর্ট
ভবানীপুরের সরু গলি, বাজার এলাকা ও আবাসিক পাড়াগুলোতে সকাল থেকে সিআরপিএফ-এর প্যাট্রোলিং শুরু হয়। জওয়ানরা দলে দলে হেঁটে এলাকা ঘুরে দেখছেন, পোলিং বুথগুলোর আশপাশে অবস্থান নিচ্ছেন এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলছেন। এই দৃশ্য অনেকের কাছেই নতুন। কেউ কেউ বলছেন, এত কেন্দ্রীয় বাহিনী দেখে মনে হচ্ছে এলাকায় শান্তিপূর্ণ ভোট হবে। আবার কেউ কেউ মনে করছেন, এত বড় আকারের নিরাপত্তা ব্যবস্থা দেখে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।


