বিশেষ প্রতিনিধি:
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের (Jadavpur University) সাম্প্রতিক উত্তপ্ত পরিস্থিতি ও প্রশাসনিক অচলাবস্থা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে যখন জোর বিতর্ক চলছে, তখন ক্যাম্পাসের ভেতরে ও বাইরে ‘জাতীয়তাবাদ’ প্রতিষ্ঠা করার কড়া বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার ভবানীপুরে ‘অন্নপূর্ণা’র একটি অনুষ্ঠানে আয়োজিত সভা থেকে বিরোধী শিবির, বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ পরিবেশ এবং সংবাদমাধ্যমের একাংশের ভূমিকা নিয়ে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
আরও পড়ুনঃ ‘অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার’ ভাতা ঘিরে অসন্তোষ; পঞ্চায়েত মন্ত্রীর মন্তব্যে সরগরম রাজনীতি
শুভেন্দু অধিকারীর মূল বক্তব্য ও অভিযোগ
-
জাতীয়তাবাদের সওয়াল: মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করে বলেন, “যাদবপুরে বন্দে মাতরম্ বলতে দেওয়া হয় না, জাতীয় পতাকা ওঠে না এবং সিসিটিভি ক্যামেরা বসাতেও বাধা দেওয়া হয়।”
-
‘টুকড়ে-টুকড়ে গ্যাং’কে আক্রমণ: ক্যাম্পাসের ভেতরে রাষ্ট্রবিরোধী শক্তি সক্রিয় রয়েছে উল্লেখ করে তিনি জানান, দেশাত্মবোধক অনুষ্ঠান পালন না করা গোষ্ঠীর পাশে সংবাদমাধ্যম যতই দাঁড়াক না কেন, সরকার বন্দে মাতরম্, তেরঙা ও সনাতন সংস্কৃতির সঙ্গে কোনো আপস করবে না। এই সরকার শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের স্বপ্ন পূরণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
-
তৃণমূল ও সিপিএমকে কটাক্ষ: তৃণমূলকে ‘খণ্ড-বিখণ্ড দল’ হিসেবে অভিহিত করে তিনি বলেন, বিরোধীদের রিল বানিয়ে বা রাস্তা অবরোধের রাজনীতি সফল হবে না। পাশাপাশি সিপিএমের জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়া রাজনীতি নিয়েও তিনি কড়া আক্রমণ শানান।
আরও পড়ুনঃ মেগা মাস্টারস্ট্রোক রাজ্য সরকারের! চা বাগানে রিসোর্ট বানিয়ে কোটি কোটি টাকা আয়ের খেলা শেষ?
অতীত লড়াইয়ের প্রসঙ্গ
নিজের রাজনৈতিক সংগ্রামের দিনগুলির কথা মনে করিয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান, অতীতে তমলুকে সিপিএমের তৎকালীন প্রভাবশালী নেতা লক্ষণ শেঠকে ১ লক্ষ ৭৩ হাজার ভোটে পরাজিত করে তিনি আজ এই জায়গায় এসেছেন। তাই কোনো অপপ্রচার বা মিডিয়া ট্রায়াল চালিয়ে তাঁর সরকারকে দমানো যাবে না বলে পরিষ্কার জানিয়ে দেন তিনি।


