Saturday, 22 August, 2026
22 August
Homeউত্তরবঙ্গNorth Bengal: মেগা মাস্টারস্ট্রোক রাজ্য সরকারের! চা বাগানে রিসোর্ট বানিয়ে কোটি কোটি...

North Bengal: মেগা মাস্টারস্ট্রোক রাজ্য সরকারের! চা বাগানে রিসোর্ট বানিয়ে কোটি কোটি টাকা আয়ের খেলা শেষ?

বাগানের আয়তন যতই বড় হোক না কেন, কোনো অবস্থাতেই পর্যটন বা বাণিজ্যিক কাজের জন্য ১৫০ একরের বেশি জমি ব্যবহার করা যাবে না।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

বিশেষ প্রতিনিধি:

উত্তরবঙ্গের ঐতিহ্যবাহী চা শিল্পের মৌলিক কাঠামো বজায় রাখতে এবং অনিয়ন্ত্রিত বাণিজ্যিকীকরণ রুখতে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। চা বাগানের জমিতে রিসোর্ট, হোম-স্টে সহ অন্যান্য বাণিজ্যিক ও পর্যটন মূলক কাজের অনুমতিসীমা একধাক্কায় অর্ধেকে নামিয়ে আনা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ উত্তরবঙ্গের পর্যটনে নতুন দিগন্ত; উত্তরবঙ্গে নেতাজির স্মৃতি ও পর্যটন প্রসারে রাজ্য সরকারের বড় উদ্যোগ

নতুন নীতিমালার মূল বিষয়বস্তু

  • জমির ব্যবহারসীমা হ্রাস: পূর্বে একটি চা বাগানের মোট জমির সর্বোচ্চ ৩০ শতাংশ অংশ পর্যটন ও আনুষঙ্গিক কাজে ব্যবহারের নিয়ম ছিল। নতুন নির্দেশিকায় তা কমিয়ে ১৫ শতাংশ করা হয়েছে।

  • সর্বোচ্চ সীমার কড়াকড়ি: বাগানের আয়তন যতই বড় হোক না কেন, কোনো অবস্থাতেই পর্যটন বা বাণিজ্যিক কাজের জন্য ১৫০ একরের বেশি জমি ব্যবহার করা যাবে না।

  • উৎপাদন ও পরিবেশ সুরক্ষা: চা পাতার মূল উৎপাদন বজায় রাখা, বাগানের শ্রমিকদের কাজের সুযোগ সুনিশ্চিত করা এবং গাছ কাটাই বা পরিবেশ দূষণ রোধ করাই এই পদক্ষেপের প্রধান লক্ষ্য।

আরও পড়ুনঃ তৈরি হচ্ছে ‘ত্রিকোণ নিরাপত্তা বলয়’; শিলিগুড়ি করিডরের সুরক্ষায় বড় পদক্ষেপ কেন্দ্রের

শিল্প ও পর্যটন খাতের প্রতিক্রিয়া

জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও দার্জিলিং জুড়ে ‘টি ট্যুরিজম’ (Tea Tourism)-এর জনপ্রিয়তার সুযোগ নিয়ে যথেচ্ছ পরিবেশ ধ্বংসের যে আশঙ্ক তৈরি হয়েছিল, সরকারের এই নতুন নীতিতে তা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। বনাঞ্চল ও চা বাগান সংলগ্ন এলাকার জীববৈচিত্র্য সুরক্ষায় সরকারের এই সিদ্ধান্তের প্রশংসা করেছে একাধিক পরিবেশপ্রেমী সংগঠন ও চা বাগান শ্রমিক ইউনিয়নগুলি।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন