২০০ বছরের মন্দির ঘিরে চাঞ্চল্য
পানিহাটির ঐতিহ্যবাহী শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর মন্দিরকে ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। মন্দিরের প্রণামী বাক্সে জমা অর্থ কোথায় এবং কী ভাবে গণনা হবে, তা নিয়েই অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ সামনে এসেছে।
সেবাইতের অভিযোগ কী?
মন্দিরের সেবাইত বঙ্কুবিহারী বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, পানিহাটির বিধায়ক রত্না দেবনাথের স্বামী শেখর দেবনাথ কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে মন্দিরে আসেন। তাঁর অভিযোগ, মন্দিরের ভিতর ও বাইরের প্রণামী বাক্সের টাকা বিধায়কের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে গোনার কথা বলা হয়েছিল।
চাবি নিয়ে প্রশ্ন
সেবাইতের দাবি, মন্দির ও প্রণামী বাক্সের চাবি কার কাছে রয়েছে, সে বিষয়েও জানতে চাওয়া হয়। জবাবে তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে তাঁদের পরিবারই মন্দিরের পুজো ও দেখভালের দায়িত্ব পালন করে আসছে।
অডিও ঘিরে জল্পনা
এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত বলে দাবি করে একটি অডিও প্রকাশ্যে এসেছে। সেটি ঘিরেই এলাকায় আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে অডিওর সত্যতা বা সম্পূর্ণ প্রেক্ষাপট নিয়ে এখনও প্রশাসনিক কোনও চূড়ান্ত বক্তব্য সামনে আসেনি।
আরও পড়ুনঃ চাষিদের আশা, নগরবাসীর যন্ত্রণা! আসছে পয়লা নিম্নচাপ
কী বলছেন শেখর দেবনাথ
সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শেখর দেবনাথ। তাঁর বক্তব্য, তিনি মন্দিরের উন্নয়ন এবং দানের অর্থের স্বচ্ছ ব্যবহারের জন্য ট্রাস্টি বোর্ড গঠনের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। প্রণামীর টাকা বিধায়কের বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ভিত্তিহীন বলেই দাবি করেছেন তিনি।
নজর এখন পরবর্তী পদক্ষেপে
ঐতিহাসিক দণ্ডমহোৎসবের সময় মন্দিরে ভক্তসমাগম বেশি থাকে। তাই প্রণামী সংক্রান্ত স্বচ্ছতা ও মন্দির পরিচালনা নিয়ে প্রশ্ন সামনে আসতেই বিষয়টি স্থানীয় মহলে গুরুত্ব পেয়েছে।
পানিহাটির প্রাচীন মন্দিরের প্রণামী বাক্স নিয়ে সেবাইত ও বিধায়কের স্বামীর বক্তব্য ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অভিযোগ অস্বীকার করে স্বচ্ছতার পক্ষে সওয়াল করেছেন শেখর দেবনাথ।
Source: প্রকাশিত সংবাদ প্রতিবেদন ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য।
Disclaimer: এই প্রতিবেদন প্রাপ্ত তথ্য ও অভিযোগের ভিত্তিতে লেখা। কোনও অভিযোগকে তদন্ত বা আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে উপস্থাপন করা হয়নি।


