Tuesday, 25 August, 2026
25 August
HomeদেশElection 2029: ২০২৯ লোকসভার সঙ্গেই ২২টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিধানসভা নির্বাচন?...

Election 2029: ২০২৯ লোকসভার সঙ্গেই ২২টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিধানসভা নির্বাচন? ভাবনায় ‘ওয়ান নেশন, ওয়ান ইলেকশন’! 

দিল্লির বিধানসভার মেয়াদ কমানোর ইঙ্গিত: দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা জানিয়েছেন, জাতীয় স্বার্থে প্রয়োজন হলে বিধানসভার মেয়াদ সামঞ্জস্য করতে দিল্লি সরকার প্রস্তুত।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

বিশেষ সংবাদ প্রতিনিধি, নতুন দিল্লি:

দেশজুড়ে লোকসভা ও রাজ্য বিধানসভাগুলির নির্বাচন একসঙ্গে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে কেন্দ্র সরকারের প্রস্তাবিত ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’ (One Nation, One Election) পরিকল্পনা ঘিরে জাতীয় রাজনীতিতে উত্তাপ চড়ছে। এই বিল পর্যালোচনায় গঠিত যৌথ সংসদীয় কমিটি (JPC)-র মুখোমুখি হয়ে এনডিএ-শাসিত রাজ্যগুলি নীতিগত সমর্থন জানালেও, বিরোধীরা একে ‘অসংবিধানিক’ ও ‘গণতন্ত্রের পরিপন্থী’ বলে তীব্র বিরোধিতা শুরু করেছে।

আরও পড়ুনঃ  রক্ত নিয়ে এভাবে ‘খেলা’ তাও খোদ সরকারি হাসপাতালে; আতশকাঁচের নিচে বিভিন্ন ক্লাব, সংস্থা

এনডিএ শাসিত রাজ্যগুলির সমর্থন ও মেয়াদের সমন্বয়

যৌথ সংসদীয় কমিটি ইতিমধ্যে মহারাষ্ট্র, উত্তরাখণ্ড, হরিয়ানা, পঞ্জাব, হিমাচলপ্রদেশ, কর্নাটক, গুজরাট, দিল্লি, গোয়া এবং উত্তরপ্রদেশসহ একাধিক রাজ্যের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করেছে।

  • এনডিএ রাজ্যগুলির সায়: গোয়া, উত্তরাখণ্ড, হরিয়ানা এবং দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীরা নির্বাচন সমন্বয়ের পক্ষে মত দিয়েছেন।

  • দিল্লির বিধানসভার মেয়াদ কমানোর ইঙ্গিত: দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা জানিয়েছেন, জাতীয় স্বার্থে প্রয়োজন হলে বিধানসভার মেয়াদ সামঞ্জস্য করতে দিল্লি সরকার প্রস্তুত। ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের সাথে দিল্লির ভোট মেলাতে বর্তমান বিধানসভার মেয়াদ প্রায় এক বছর পর্যন্ত কমানোর প্রস্তাবও বিবেচনাধীন।

বিরোধীদের তীব্র আপত্তি ও সাংবিধানিক প্রশ্ন

‘এক দেশ, এক নির্বাচন’ বিলের সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে সরব হয়েছে বিরোধী দলগুলি:

  • কংগ্রেসের অবস্থান: কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক জয়রাম রমেশ জানিয়েছেন, দলীয় অবস্থানের কোনো পরিবর্তন হয়নি এবং কংগ্রেস এই প্রস্তাবের চরম বিরোধী। বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা পি চিদম্বরম সংসদীয় কমিটির সামনে এই প্রস্তাবকে “অসংবিধানিক” এবং “গণতন্ত্রের মৌলিক কাঠামোর পরিপন্থী” বলে অভিহিত করেছেন।

  • অন্যান্য রাজ্য ও বিরোধীদের ক্ষোভ: কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী ডি কে শিবকুমার এবং তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিনিধিরা কমিটির কাছে বিলটির বিরোধিতা করেছেন। বিরোধীদের প্রধান যুক্তি, আগাম বিধানসভা ভেঙে দিলে রাজ্যের স্বায়ত্তশাসন, যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো এবং গণতান্ত্রিক জবাবদিহি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

আরও পড়ুনঃ  কি মনে আছে তো? শহরে থুতু ও আবর্জনা ফেললে মোটা অঙ্কের জরিমানা; ১ সেপ্টেম্বর থেকে রাজ্য জুড়ে কড়া নির্দেশিকা

প্রস্তাবিত বিলে কী রয়েছে?

আইনমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল সংসদে সংবিধান (১২৯তম সংশোধনী) বিল এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল আইন (সংশোধনী) বিল পেশ করেছিলেন।

  • সাংবিধানিক অনুচ্ছেদ সংশোধন: সংবিধানের ৮২, ৮৩, ১৭২ এবং ৩২৭ নম্বর অনুচ্ছেদে পরিবর্তনের কথা বলা হয়েছে।

  • নিয়মের সামঞ্জস্য: প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের নেতৃত্বাধীন উচ্চপর্যায়ের কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে তৈরি এই বিলে বলা হয়েছে, কোনো সাধারণ নির্বাচনের পর প্রথম লোকসভা বৈঠকের পর নির্বাচিত বিধানসভাগুলির মেয়াদ প্রয়োজন অনুযায়ী সামঞ্জস্য করা হতে পারে।

যৌথ সংসদীয় কমিটির মেয়াদ শীতকালীন অধিবেশন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আলোচনা ও শুনানি শেষে কমিটি তাদের চূড়ান্ত সুপারিশ জমা দেবে।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন