নক আউটে আগেই উঠে গিয়েছে দুই দল। গ্রুপ শীর্ষে কারা থাকবে তাও ঠিক হয়ে গিয়েছে। ফলে ফ্রান্স বনাম নরওয়ের ম্যাচ ছিল নিয়মরক্ষার। ফলে ইরাকের বিরুদ্ধে গত ম্যাচে জয়ের কারিগর ১০ জন ফুটবলারকে বাদ দিয়েই দল গড়েছিল নরওয়ে। এমনকি বাদ পড়েন আর্লিং হাল্যান্ডও। আসলে নক আউটের আগে সবাইকে আর সেই ম্যাচে ৪-১ গোলে জয় পেল ফ্রান্স।
আরও পড়ুনঃ ৯/১১-এর ছায়া! চিনের সবচেয়ে উঁচু বিল্ডিংয়ে আছড়ে পড়ল বিমান
ম্যাচের প্রথম মিনিটেই ডানদিক থেকে জোরালো শটে প্রায় গোল করে ফেলেছিলেন কিলিয়ান এমবাপে। বল বারে লেগে ফিরে আসে। আর সেই ডানদিক থেকেই নরওয়ের বিরুদ্ধে প্রথম গোলটা করেন উসমান ডেম্বেলে। ডানদিক থেকে বক্সের মধ্যে ঢুকে দুই ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে গোলে জোরালো শট করেন। বল ঢুকে যায় গোলে।
১৪ মিনিটে লারসেন দারুণ সুযোগ পেয়ে যান। তাঁর চেটো দিয়ে মারা শট বার উচিয়ে বাইরে চলে যায়। ২০ মিনিটে ফের গোল পান ডেম্বেলে। ফের বাঁ পায়ের বাঁক খাওয়ানো শটে গোল করেন ফরাসি তারকা। গোলের ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা এমবাপের। তাঁর জার্সি টেনে রাখা হলেও ঠিকানা লেখা পাসটা তিনিই দেন।
আরও পড়ুনঃ শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল দক্ষিণ ফিলিপিন্স; মাত্রা ৬.৪
সকলেই যখন ভাবছিলো, ফ্রান্স বড় ব্যবধানে জিততে চলেছে, তখনই পাল্টা আঘাত নরওয়ের। দারুণ শটে গোল করেন আসগার্ড। দ্বিতীয় গোল পাওয়ার পরে কিছুটা হলেও গা ছাড়া দিয়েছিলো গতবারের রানার্সরা। আর সেটার সুযোগ ওঠায় নরওয়ে। ৩২ মিনিটে ডেম্বেলে হ্যাটট্রিক করে ফেলেন। আবার ডানদিক থেকে কাটব্যাক করে ঢুকে এসে গোলে শট করেন। দ্বিতীয় পোস্টের দিকে ঢুকে যায় বল।
১৯৯৪-এর পর, বিশ্বকাপে প্রথমার্ধে হ্যাটট্রিক এই প্রথম। সেবারেও আমেরিকাই ছিল আয়োজক। ৪৮ মিনিটে অস্কার ববকে পেনাল্টি বক্সের মধ্যে ফাউল করায় পেনাল্টি পায় নরওয়ে। স্পট কিক থেকে আসগার্ড, মিনিয়নকে বোকা বানাতে পারেননি। ডানদিকে মারা শট ঝাঁপিয়ে বাঁচিয়ে দেন ফরাসি গোলকিপার। ফ্রান্সের চতুর্থ গোল আসে ইনজুরি টাইমে। গোল করেন দেজিরে দুয়ে।


