বিশেষ সংবাদ প্রতিনিধি:
সোমবার গভীর রাত থেকে মঙ্গলবার ভোরের মধ্যে এক বিশাল এলাকাজুড়ে অনুভূত হলো ভূমিকম্প। আফগানিস্তান থেকে শুরু করে ভারতের জম্মু-কাশ্মীর ও সিকিম—১ সেপ্টেম্বর মাঝরাতের এই ভূকম্পনে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে। আফগানিস্তানে পর পর তিনবার কম্পন অনুভূত হলেও, সৌভাগ্যবশত কোনো এলাকাতেই এখনও পর্যন্ত বড়সড় ক্ষয়ক্ষতি বা প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি।
ভূমিকম্পের সময়কাল ও মাত্রা (এনসিএস তথ্য অনুযায়ী)
ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি (NCS)-র তথ্য অনুসারে ভারত ও আফগানিস্তানের বিভিন্ন অঞ্চলে কম্পনের বিবরণ:
| অঞ্চল / স্থান | সময় | রিখটার স্কেলে মাত্রা | গভীরতা ও কেন্দ্রস্থল |
| আফগানিস্তান (১ম কম্পন) | রাত ১:০৬ | ৪.৪ | ভূপৃষ্ঠের ১৩২ কিমি গভীরে। |
| সিকিম (মাঙ্গান) | রাত ১:৪৮ | ৩.৯ | মাঙ্গান অঞ্চল। |
| জম্মু-কাশ্মীর (কিশতওয়ার) | রাত ১:৫৪ | ২.৪ | কিশতওয়ার অঞ্চল। |
| আফগানিস্তান (২য় কম্পন) | রাত ৩:১৪ | ৩.৭ | ফয়জাবাদ থেকে ৯৯ কিমি দক্ষিণ-পূর্বে, ১২৭ কিমি গভীরে। |
| আফগানিস্তান (৩য় কম্পন) | রাত ৩:৩১ | ৪.২ | কাবুলের ১০৫ কিমি পূর্বে। |
আরও পড়ুনঃ শিলিগুড়িতে নামল কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং র্যাফ; শঙ্করের দুয়ারে হাজির শ’য়ে-শ’য়ে মহিলারা
জনমনে আতঙ্ক ও নেপালের বিপর্যয় চিত্র
-
মাঝরাতে ঘুম ভাঙল বাসিন্দাদের: পর পর কম্পনের ফলে মাঝরাতেই ঘর ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন জম্মু-কাশ্মীর, সিকিম ও আফগানিস্তানের অনেক বাসিন্দা।
-
নেপালে বন্যা ও ভূমিধসের আতঙ্ক: কাশ্মীর থেকে সিকিম জুড়ে এই ভূকম্পন এমন এক সময়ে ঘটল যখন প্রতিবেশী দেশ নেপাল আকস্মিক বন্যা ও ধসে তছনছ হয়ে রয়েছে। গত ২৯ অগাস্ট থেকে জারি হওয়া সতর্কতার মাঝে নেপালে বন্যায় ইতিমধ্যেই ৯০০-র বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত নুয়াকোট ও রাসুয়া জেলা।
প্রশাসন পুরো পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে এবং আফগানিস্তান ও ভারতের প্রভাবিত অঞ্চলগুলিতে পরবর্তী ক্ষয়ক্ষতি সংক্রান্ত তথ্যের জন্য সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে।


