spot_img
Monday, 19 January, 2026
19 January
spot_img
Homeআন্তর্জাতিক নিউজKhaleda Zia Death: ‘আম্মা আর নেই’ জানালেন তারেক; চলে গেলেন বাংলাদেশের প্রাক্তন...

Khaleda Zia Death: ‘আম্মা আর নেই’ জানালেন তারেক; চলে গেলেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী

আজ মঙ্গলবার সকালে তাঁর মৃত্যুর কথা নিজেদের সমাজমাধ্যমে জানিয়েছে খালেদা জিয়ার দল বিএনপি।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ আজ মঙ্গলবার (বাংলাদেশ সময়) সকাল সোয়া ৭টার দিকে প্রথম আলোকে জানান, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাঁকে জানিয়েছেন,  ‘আম্মা আর নেই।’

আরও পড়ুনঃ উত্তরে বরফ, কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে কনকনে শীত! কেমন থাকবে বঙ্গের আবহাওয়া

অশীতিপর বিএনপি নেত্রীর শারীরিক পরিস্থিতি গত কয়েক দিন ধরেই সঙ্কটজনক ছিল। রাজধানী ঢাকার হাসপাতালে সিসিইউ-তে (করোনারি কেয়ার ইউনিট) চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। মঙ্গলবার সকালে হাসপাতালেই মৃত্য়ু হয় তাঁর।

খালেদার কিডনির সমস্যা অনেক পুরনো। গত ২৩ নভেম্বর শ্বাসকষ্টের কারণে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল। পরীক্ষার পর ফুসফুসে সংক্রমণ এবং নিউমোনিয়া ধরা পড়ে। সূত্রের খবর, বয়সজনিত কারণে পরিস্থিতি অনেক জটিল হয়ে উঠেছিল।

কারণ, তাঁর শরীরে আগে থেকেই একাধিক সমস্যা ছিল। একটির চিকিৎসা করতে গেলে অন্য রোগের উপর তার বিরূপ প্রভাব পড়ছিল। কিডনির কার্যকারিতাও অনেকটা কমে গিয়েছিল খালেদার। ফলে টানা চার দিন তাঁর ডায়ালিসিস করাতে হয়। শুক্রবার পর্যন্ত খালেদা কোনও কথাই বলেননি। শনিবার অবস্থার সামান্য উন্নতি হয়েছিল।

আরও পড়ুনঃ বিধানসভা ভোটকে পাখির চোখ! কলকাতায় এলেন অমিত শাহ

শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা হিসাবে যেমন বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলেন হাসিনা, তেমনই খালেদার পরিচিতি ছিল জিয়াউর রহমানের স্ত্রী হিসাবে। স্বামীর মৃত্যুর পর অবশ্য নিজেই নিজের পরিচিতি তৈরি করেছিলেন খালেদা। হাল ধরেছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পার্টি (বিএনপি)-র। ১৯৯১ সালে বাংলাদেশের প্রথম মহিলা হিসাবে প্রধানমন্ত্রী হন খালেদা।

দু’দফায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন খালেদা। প্রথম বার ১৯৯১ থেকে ১৯৯৬ পর্যন্ত। দ্বিতীয় এবং শেষ বার ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত। নারীশিক্ষার প্রসারে খালেদা সরকারের ভূমিকার কথা স্বীকার করে থাকেন অনেকেই। তবে তাঁর আমলে দুর্নীতির অভিযোগও উঠেছে। ২০১৮ ’টি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থায় দুর্নীতির অভিযোগে ১৭ বছরের কারাদণ্ড হয় খালেদার। সেই সময় থেকেই একাধিক বার অসুস্থ হয়ে পড়তে থাকেন তিনি। চলতি বছরের গোড়ায় তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। এ বারেও তেমন পরিকল্পনা করা হয়েছিল। কিন্তু বিএনপি নেত্রীর শারীরিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল না-থাকায় সেই ঝুঁকি নেওয়া যায়নি।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন