AI থেকে সিসি ক্যামেরা, এবারের ভোটে কোনও রকম নিরাপত্তায় খামতি রাখতে চাইছে না নির্বাচন কমিশন। গোটা রাজ্যকে নিছিদ্র নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলতে চাইছে কমিশন। তবে, বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে উত্তরবঙ্গের দিকে। উত্তরবঙ্গে বুথের বাইরে ত্রিস্ত্ররীয় নিরাপত্তা দিতে বদ্ধপরিকর কমিশন।
আরও পড়ুনঃ বিরাট ভাঙন বাম শিবিরে; তৃণমূলে যোগ ১০০০ জন তরুণ তুর্কির
নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, উত্তরবঙ্গে এমন বহু স্কুল আছে যেখানে পাঁচিল নেই। আশপাশে রয়েছে জঙ্গল কিংবা ঝোপঝাড়ে ভরা। ফলে এই সব জায়গা থেকে খুব সহজেই চোখ এড়িয়ে বহিরাগতরা ঢুকে পড়তে পারে বুথের ভিতরে। বিঘ্নিত হতে পারে বুথের নিরাপত্তা। সেই সব কিছু বিষয় মাথায় রেখে এবার বিশেষ পদক্ষেপ করল কমিশন। এই বছরের ভোটে এই ধরনের স্কুলগুলিকে বাঁশ দিয়ে আলাদা বেড়া করে দেবে কমিশন। ওই বেড়ার ভিতর কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা থাকবেন।
আরও পড়ুনঃ রাজ্যপালের ‘পরিবর্তনের’ ডাক! সংঘাতের নতুন সমীকরণ?
এবার যে কেউ প্রবেশ করতে পারবেন না। ভোটার কার্ড থাকলে তবেই বুথের মধ্যে প্রবেশ করতে পারবেন ভোটাররা। শুধু তাই নয়, এই জাতীয় সব বুথকেই স্পর্তকাতর চিহ্নিত করেছেন পর্যবেক্ষকরা। সেখানেই থাকছে এই ধরনের যাবতীয় ব্যবস্থা। ফলত, বোঝাই যাচ্ছে, গত নির্বাচনের চাইতে এই নির্বাচনে আলাদা ভাবেই প্রস্তুতি নিচ্ছে কমিশন। তবে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে শীতলকুচির মতো ঘটনা যে স্কুলে হয়, সেখানে অনেক বড় পাঁচিল ছিল। কিন্তু সিআরপিএফরা তারপরও অশান্তি এড়াতে পারেননি। অভিযোগ, উল্টে তাঁদের চলা গুলিতে মৃত্যু হয় চার গ্রামবাসীর। ফলে বুথের এত ব্যবস্থা থাকলেও কি অশান্তি এড়ানো যাবে? এটাই এখন কোটি টাকার প্রশ্ন।



