Friday, 17 April, 2026
17 April
HomeকলকাতাPress Card: চাঞ্চল্যকর অভিযোগ! তৃণমূল কর্মীদের ভুয়ো প্রেস কার্ড দিচ্ছে IPAC? 

Press Card: চাঞ্চল্যকর অভিযোগ! তৃণমূল কর্মীদের ভুয়ো প্রেস কার্ড দিচ্ছে IPAC? 

এর একমাত্র উদ্দেশ্য পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন নির্বাচনের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করা।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের ভুয়ো প্রেস কার্ড বানিয়ে দিচ্ছে আইপ্যাক। এই সব কার্ড ব্যবহার করে তৃণমূল কর্মীরা প্রশাসনিক দফতর এবং ভোট কেন্দ্রের কাছাকাছি ঘোরাঘুরি শুরু করেছে। এমনই চাঞ্চল্যকর দাবি করলেন পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি তিনি নির্বাচন কমিশনকে এই বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলেছেন।

এহেন ভয়ঙ্কর অভিযোগ করে এক্স-এ শুভেন্দু লেখেন, ‘আমি ভারতের নির্বাচন কমিশনের অবিলম্বে দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। কারণ, তৃণমূল কংগ্রেস একটি গুরুতর ষড়যন্ত্র করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তাদের তথাকথিত ‘পলিটিক্যাল কনসালটেন্সি’ বা ‘মানি লন্ডারিং’ সংস্থার সঙ্গে যৌথভাবে এই পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এর একমাত্র উদ্দেশ্য পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন নির্বাচনের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করা। এরা নির্বাচন ব্যবস্থার স্বচ্ছতাকে ক্ষুণ্ণ করতে চায়।

আরও পড়ুনঃ প্রচারে বাঁধা! সবংয়ে ঘুসি মেরে TMC নেতাকে সবক CRPF-এর

বিশ্বস্ত সূত্রের খবর অনুযায়ী, ইন্ডিয়ান পলিটিক্যাল অ্যাকশন কমিটি বা আইপ্যাক পরিকল্পিতভাবে টিএমসি কর্মীদের নকল প্রেস আইডেন্টিটি কার্ড দিচ্ছে। এরা পেশাদার সাংবাদিক নয়। কিন্তু সংবাদমাধ্যমের সদস্য সেজে সংবেদনশীল এলাকা, যেমন ভোটকেন্দ্র এবং প্রশাসনিক দফতরে অবাধে প্রবেশের সুযোগ পাচ্ছে।’

কেন এদের প্রেস কার্ড দিচ্ছে তৃণমূল?
সেই বিষয়টাও নিজের পোস্টে পরিষ্কার করে দিয়েছে আমেরিকা। তিনি বলেন, ‘এই ভুয়ো সাংবাদিকদের কৌশলগতভাবে মাঠে নামানো হয়েছে। যাতে তারা মিডিয়ার পরিচয় ব্যবহার করে স্থানীয় স্তরে বেআইনি কাজ করতে পারে। প্রেস পরিচয় ব্যবহার করে তারা ভোটকেন্দ্রে ঢুকে ভোটারদের ভয় দেখানো, প্রভাবিত করা বা নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করার সুযোগ পেতে পারে। এই বেআইনি কাজগুলো যাতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নজর এড়িয়ে যেতে পারে, সেই জন্যই এমন আয়োজন।’

শুভেন্দুর দাবি, এটা টিএমসির একটি পুরনো কৌশল। এভাবেই তারা নিজেদের কর্মীদের প্রেস কার্ডের সুবিধা দেয়। প্রেস কার্ডের ক্ষমতা অপব্যবহার করা হয়। 

আরও পড়ুনঃ ২৬-এ বিজেপি পেতে পারে ১৭০-১৭৪ আসন! এটাই বাস্তবতা

শুভেন্দুর আবেদন
এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশনের কাছে গত কয়েক মাসে পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে যে সমস্ত নতুন প্রেস আইডেন্টিটি কার্ড এবং অ্যাক্রেডিটেশন লেটার ইস্যু হয়েছে, সেগুলির কঠোর যাচাই-বাছাই করা হোক। 

এছাড়া তিনি চান যাতে নির্বাচন কমিশন জেলা প্রশাসন ও পুলিশকে নির্দেশ দেয়। নতুন পরিচয়পত্র পাওয়া এই সব সাংবাদিকদের উপর যেন নজরদারি চালান হয়। সেই সঙ্গে শুধুমাত্র স্বীকৃত এবং প্রতিষ্ঠিত সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিকদেরই ভোটকেন্দ্রের কাছে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া এবং তাদের পরিচয়পত্রও দ্বিতীয়বার যাচাই করার আবেদন করেন তিনি।

 

 

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন