Saturday, 23 May, 2026
23 May
HomeকলকাতাSandip Ghosh: বেআইনি নির্মাণ, ভেঙে ফেলার নির্দেশ! বড় সিদ্ধান্ত

Sandip Ghosh: বেআইনি নির্মাণ, ভেঙে ফেলার নির্দেশ! বড় সিদ্ধান্ত

বেলেঘাটার ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত ৮৩ নম্বর বদন রায় লেনের ওই বাড়িটির বিরুদ্ধে বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ করেছিলেন অংশুমান সরকার নামের এক জনৈক ব্যক্তি।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের বেলেঘাটার বাড়িতে অবৈধ নির্মাণের অভিযোগে তদন্ত শুরু করেছে কলকাতা পুরসভা। অভিযোগ, বাড়ির ছাদে অনুমতি ছাড়া অতিরিক্ত নির্মাণ করা হয়েছে এবং বাউন্ডারি ওয়াল বাড়িয়ে একটি ম্যানহোল ঢেকে দেওয়া হয়েছে। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই কেএমসি ভবন বিভাগের তরফে বাড়ির মালিক বা প্রতিনিধিকে হাজিরার নোটিস পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ বাড়ি ছেড়ে আশ্রমে সন্ন্যাস নিলেন ভোট কৌশলী পিকে

কেএমসি সূত্রে জানা গিয়েছে, বাড়িটির অনুমোদিত নকশা খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং কোথাও পরিকল্পনা বহির্ভূত নির্মাণ হয়েছে কি না তা পরীক্ষা করা হবে। বোরো-৩ এলাকার ইঞ্জিনিয়ারদের একটি দল প্রাথমিক পরিদর্শনও করেছে। তদন্তে মূলত ছাদের উপর তৈরি কাঠামো এবং অতিরিক্ত অংশগুলির বৈধতা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই আবহে সন্দীপ ঘোষ ও তাঁর স্ত্রী ডাক্তার সঙ্গীতা ঘোষের মালিকানাধীন একটি বাড়ির ছাদে তৈরি হওয়া বেআইনি ‘পারগোলা’ আগামী ৪৫ দিনের মধ্যে ভেঙে ফেলার নির্দেশ দিয়েছেন পুরসভার স্পেশাল অফিসার (বিল্ডিং) এস বোরাল।

আরও পড়ুনঃ বাংলাতে থাকছে কেন্দ্রীয় বাহিনী; রাজ্যের আবেদনে দ্রুত সাড়া

রিপোর্ট অনুযায়ী, বেলেঘাটার ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত ৮৩ নম্বর বদন রায় লেনে অবস্থিত সন্দীপ ঘোষের বাড়িটির। সেখানেই ছাদে বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ করেছিলেন অংশুমান সরকার নামের এক জনৈক ব্যক্তি। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে শুনানি হয় কলকাতা পুরসভায়। গত ১৪ মে অনুষ্ঠিত সেই শুনানিতে নাকি সন্দীপ ঘোষ স্বীকার করে নেন যে পারগোলাটি বাড়ির কমপ্লিশন প্ল্যান-এ অন্তর্ভুক্ত ছিল না। এই আবহে শুনানির পরে সেই বেআইনি অংশটি ভাঙার নির্দেশ জারি করে পুরসভা।

উল্লেখ্য, আরজি কর হাসপাতালের আর্থিক অনিয়ম মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর থেকেই সন্দীপ ঘোষকে ঘিরে একাধিক বিতর্ক সামনে আসে। পরবর্তীতে সিবিআই তদন্তে তাঁর একাধিক সম্পত্তির তথ্যও উঠে আসে। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গ সরকারও আরজি করের আর্থিক দুর্নীতি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে ইডির মামলা চালানোর অনুমতি দিয়েছে।

 

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন