Friday, 8 May, 2026
8 May
HomeকলকাতাTMC: শপথের দিনেই কি বড় কোনো চমক দিতে চলেছেন তৃণমূল নেত্রী?

TMC: শপথের দিনেই কি বড় কোনো চমক দিতে চলেছেন তৃণমূল নেত্রী?

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নতুন করে জলঘোলা শুরু করেছে।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

বাংলার রাজনীতিতে এবার এক নজিরবিহীন মোড়। ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয় মেনে নিতে নারাজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবার সরাসরি আইনি যুদ্ধের ডাক দিলেন। একদিকে যখন বিজেপি সরকার গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছে, ঠিক তখনই কালীঘাট থেকে এল এক বিরাট ঘোষণা। ভোট কারচুপির অভিযোগ তুলে এবার দেশের সর্বোচ্চ আদালত অর্থাৎ সুপ্রিম কোর্টের দরজায় কড়া নাড়তে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেস।

আরও পড়ুনঃ এখনও ‘মুখ্যমন্ত্রী’ মমতা! ছাড়বেন না চেয়ার?

নির্বাচনের ফলাফল সামনে আসার পর থেকেই জল্পনা ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কি ইস্তফা দেবেন? বুধবার দলের নবনির্বাচিত বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠকের পর তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি এখনই ইস্তফা দিচ্ছেন না। মমতার দাবি, এই ম্যান্ডেট বা জয় সাধারণ মানুষের নয়, বরং এটি ‘ছিনতাই’ করা হয়েছে। তিনি খোলা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে বলেছেন, “ওরা চাইলে আমাকে বরখাস্ত করুক, রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হোক, কিন্তু আমি মাথা নত করব না।”

এই লড়াইয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সবথেকে বড় চমক হলো আইনি পেশায় ফিরে যাওয়া। তিনি জানিয়েছেন, তিনি নিজে এবং চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য দুজনই আইনজীবী হিসেবে সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল করবেন। হারানো মন্ত্রীদের মধ্যে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যও থাকছেন মমতার এই আইনি লড়াইয়ের সারথী হিসেবে। ভোট লুট এবং কারচুপির সব প্রমাণ দিয়ে সুপ্রিম কোর্টে বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বড় মামলা করতে চলেছে ঘাসফুল শিবির।

আরও পড়ুনঃ বঙ্গে নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতা, আজকের বাংলা আর ১৯৭০–৮০-র বাংলা না; “রুটি-কাপড়া-মাকান-বাৎসরিক বনধ”-এর কি বামেরা ফিরবে?”

আগামী ৯ মে যখন ব্রিগেডে বিজেপি সরকার শপথ নেবে, সেই দিনটিকেও প্রতিবাদের ভাষা হিসেবে বেছে নিয়েছেন মমতা। ওইদিন রবীন্দ্র জয়ন্তী হওয়ায় রাজ্যের প্রতিটি তৃণমূল কার্যালয়ে রবীন্দ্রসঙ্গীত বাজানোর নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। একপাশে যখন জয়ের উৎসব চলবে, অন্যপাশে তখন গানের মাধ্যমে প্রতিবাদের সুর শোনাবে তৃণমূল। এছাড়া দলের ভেতরে থাকা ‘গদ্দার’ বা অন্তর্ঘাতকারীদের খুঁজে বের করতে একটি কড়া শৃঙ্খলারক্ষী কমিটিও তৈরি করা হয়েছে।

সব মিলিয়ে বিধানসভা নির্বাচন মিটে গেলেও বাংলার রাজনৈতিক উত্তেজনা এতটুকু কমেনি। উল্টে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নতুন করে জলঘোলা শুরু করেছে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও কর্মীদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন এবং আইনি পথে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার কথা বলেছেন। এখন দেখার, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই ‘ওকালতি’ এবং সুপ্রিম কোর্টের পদক্ষেপ বিজেপির শপথ গ্রহণ বা নতুন সরকারের ওপর কোনো প্রভাব ফেলে কি না।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন