পাকিস্তানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে জাফর রিয়াজ ওরফে রিজভি নামে একজনকে গ্রেফতার করা হল। জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএয়ের তরফে জানানো হয়েছে, পাকিস্তানের গোয়েন্দা অফিসারদের কাছে ভারতের অত্যন্ত গোপনীয় ও সংবেদনশীল নিরাপত্তা সংক্রান্ত তথ্য পাচারের অভিযোগে জাফরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা, অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট এবং বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইনের (ইউএপিএ) একাধিক কঠোর ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। ধৃত একজন পাকিস্তানির সঙ্গে বিয়ে করেছিল। তার সন্তানরাও পাকিস্তানের নাগরিক।
আরও পড়ুনঃ ৩০০ মিলিয়নের ঐতিহাসিক ব্রহ্মোস চুক্তির দোরগোড়ায় মোদী সরকার
লুক–আউট নোটিশ জারি করা হয়েছিল জাফরের বিরুদ্ধে
এনআইএয়ের তরফে জানানো হয়েছে, ভারত-বিরোধী সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের জন্য পাকিস্তানের তথাকথিত গোয়েন্দা অফিসারদের কাছে সংবেদনশীল তথ্য পাচার করত। তার বিরুদ্ধে জারি করা হয়েছিল লুক-আউট নোটিশ। এমনকী ‘ঘোষিত অপরাধী’-র তকমাও দেওয়া হয়েছিল জাফরের নামে।
‘অর্থের লোভ ও পাকিস্তানের নাগরিকত্বের টোপ দিয়ে চরবৃত্তি’
আর ‘ঘোষিত অপরাধী’-র তকমা কেন দেওয়া হয়েছিল, সেটাও এনআইএয়ের তরফে জানানো হয়েছে। জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, আগেও চরবৃত্তির একটি মামলায় জাফর দণ্ডিত হয়েছিল। তদন্তে উঠে এসেছে যে ২০০৫ সাল থেকেই নিয়ম ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে যাতায়াত করত। সেরকমই একটি সফরের সময় অর্থের লোভ এবং নাগরিকত্বের টোপ দিয়ে তাকে ভারতে চরবৃত্তির জন্য নিয়োগ করেছিল পাকিস্তানের গোয়েন্দা অফিসাররা।
আরও পড়ুনঃ অনুপ্রবেশকারীদের রাজ্য ছাড়া করার প্রক্রিয়া শুরু, রাজ্যে লাগু CAA
তারপর কীভাবে সংবেদনশীল তথ্য পাচার করত?
এনআইয়ের তরফে জানানো হয়েছে, পাকিস্তানের এক গোয়েন্দা অফিসারকে ভারতীয় মোবাইল নম্বরের ওটিপি দিয়েছিল, যাতে হোয়্যাটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট চালু করা যায়। সেই নম্বর ব্যবহার করে ওই পাকিস্তানি অফিসার মোতিরাম জাট বলে একজনের সঙ্গে কথাবার্তা চালাত। মোতিরামও পাকিস্তানের হয়ে চরবৃত্তি করত। তার বিরুদ্ধেও তদন্ত চলছে বলে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে।
সেইসঙ্গে এনআইএয়ের তরফে বলা হয়েছে, ‘এই গুপ্তচরবৃত্তি চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যদের খুঁজে বের করতে এবং এর পিছনের বৃহত্তর ষড়যন্ত্র উন্মোচন করতে এনআইএ তদন্ত অব্যাহত রেখেছে।’



