তাসের ঘরের মতো ভাঙছে তৃণমূল। ‘কালীঘাট তৃণমূলের’ একের পর এক নেতা বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দিচ্ছেন। কিন্তু, সেই ‘ঋতব্রত তৃণমূল’ বিদ্রোহী শিবিরেও কি এবার ফাটল ধরেছে? সোমবার বিধানসভার অধিবেশন শেষে বড় মন্তব্য করলেন বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ। তিনি দাবি করলেন, বিদ্রোহী অনেক বিধায়কই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে মানছেন না। কেন মানছেন না, তারও যুক্তি দিলেন ‘কালীঘাট তৃণমূলের’ বিধায়ক কুণাল।
বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ভরাডুবির পর ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, সন্দীপন সাহারা বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। ধীরে ধীরে তাঁদের সঙ্গে ৬০ জনের বেশি বিধায়ক হাত মেলান। সেই দলে কলকাতা বন্দরের বিধায়ক ফিরহাদ হাকিমও রয়েছেন। বিধানসভার বিরোধী দলনেতা হয়েছেন ঋতব্রত। কিন্তু, বিদ্রোহী তৃণমূল বিধায়কদের অনেকেই আর ঋতব্রতকে মানছেন না বলে দাবি করলেন কুণাল।
এদিন তিনি বলেন, “পুলিশ ডিস্টার্ব করবে না জানিয়ে নিয়ে গিয়েছিল। তৃণমূলের রক্ত যাদের গায়ে রয়েছে, তারা আর ঋতব্রতকে মানছে না। ক’দিন পরেই দেখতে পাবেন।” এদিন গুন্ডাদমন বিলের উল্লেখ করে কুণাল বলেন, “কালীঘাট শিবির স্ট্র্যাটেজিক কারণে ভোটদান থেকে বিরত ছিলাম। পরে দেখা যায়, ২০ জন বিরত। অনেকেই ঋতব্রতকে মানছে না।”
আরও পড়ুনঃ মিড ডে মিলে অন্তর্ঘাতের আশংকা! ‘দাস’ বাবুর ইস্কন থেকে পদ খোয়ানোর অন্যতম কারণ!
শামস ইকবালের জামিন পাওয়া নিয়েও এদিন কটাক্ষ করেন কুণাল। বলেন, “শামস ইকবাল সেটিং শিবিরে, তাই ছাড়া পায়। অন্যদিকে কারও কারও ক্ষেত্রে দিনের পর দিন জামিন হয় না। ‘বাঁচতে চাই বিজেপি তাই’ এটা এখন বিরোধী শিবিরের অনেকের স্লোগান। অবৈধ সম্পত্তি বাঁচাতে চাই, বিজেপি তাই।” বিধানসভাতেই অবশ্য মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট করে দিয়েছেন, কোনও চোর ছাড়া পাবে না।
বিধানসভায় এদিন আরও একটি বিষয় তাঁর ভালো লেগেছে বলে জানালেন কুণাল। বলেন, এদিন বিধানসভায় তিনি যখন ঋতব্রতকে আক্রমণ করেছিলেন, তখন বিরোধী দলনেতার পাশে বিদ্রোহী শিবিরের কেউ দাঁড়াননি। যা দেখে তাঁর খুব ভালো লেগেছে বলে জানালেন কুণাল।


