বিশেষ প্রতিনিধি:
ফ্যাকাল্টি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি স্টুডেন্টস ইউনিয়ন (FETSU)-এর সাধারণ সভাকে কেন্দ্র করে বুধবার রাতে তীব্র উত্তেজনা ছড়াল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে। ছাত্র সংগঠনগুলির মধ্যে পারস্পরিক ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া এবং মারধরের ঘটনায় উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়েছেন। ঘটনার পর থেকেই যাদবপুর থানার সামনে বিক্ষোভ দেখাচ্ছে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (ABVP)।
আরও পড়ুনঃ আমাজনকে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা কেন্দ্রের! রাম মন্দিরের প্রসাদের নামে সাধারণ মিষ্টি বিক্রি!
সংঘর্ষের সূত্রপাত ও অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ
-
এবিভিপির অভিযোগ: এবিভিপির দাবি, সাধারণ সভার নামে ডেকে এসএফআই (SFI), ডিএসও (DSO) এবং ডিএসএফ (DSF) পরিকল্পিতভাবে তাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। সংগঠনের বিশ্ববিদ্যালয় সভাপতি নিখিল রায় গুরুতর চোট পেয়ে বর্তমানে কেপিসি মেডিক্যাল কলেজে চিকিৎসাধীন। এবিভিপির কেন্দ্রীয় কর্মসমিতির সদস্য শুভব্রত অধিকারীর অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয়ে দলিত শিক্ষার্থীদের ওপর আক্রমণ চালানো হয়েছে এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে এফআইআর (FIR) দায়ের করা হচ্ছে।
-
বাম ও অতিবাম সংগঠনগুলির দাবি: অন্যদিকে রেভোলিউশনারি স্টুডেন্টস ফ্রন্ট (RSF) এবং ডিএসও-র অভিযোগ, সাধারণ সভায় এবিভিপি এবং এনএসএফ (NSF) বেশ কিছু বহিরাগত নিয়ে এসে হামলা চালায়। কলা, বিজ্ঞান ও ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থীদের অরবিন্দ ভবনে আটকে রাখা হয় এবং ক্যাম্পাসে ইট-পাটকেল ছোড়ার পাশাপাশি আগুন জ্বালানো হয়।

-
ধিক্কার দিবসের ডাক: ডিএসও-র রাজ্য কমিটির সম্পাদক বিশ্বজিৎ রায় এই ঘটনার প্রতিবাদে আজ ২০ অগস্ট ‘ধিক্কার দিবস’-এর ডাক দিয়েছেন।
আরও পড়ুনঃ হঠাৎ কী হল? বাংলায় ঢুকছে একের পর এক কেন্দ্রীয় বাহিনী?
পরিস্থিতি ও পরবর্তী কর্মসূচি
-
হাসপাতালে রাজনৈতিক নেতৃত্ব: আহত শিক্ষার্থীদের দেখতে হাসপাতালে গিয়েছিলেন বিধায়ক শর্বরী মুখোপাধ্যায়।
-
থানার বাইরে বিক্ষোভ: এবিভিপির রাজ্য নেতৃত্ব যাদবপুর থানার সামনে অবস্থান বিক্ষোভে শামিল হয়। যদিও ক্যাম্পাসে আগুন লাগানোর অভিযোগ তারা সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিশ্ববিদ্যালয় ও সংলগ্ন এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।


