spot_img
Friday, 23 January, 2026
23 January
spot_img
HomeকলকাতাKolkata Lighting Artist: "আলোর শ্যামল"; তারার দেশে বাংলা রঙ্গ মঞ্চের প্রবাদপ্রতিম আলোকশিল্পী...

Kolkata Lighting Artist: “আলোর শ্যামল”; তারার দেশে বাংলা রঙ্গ মঞ্চের প্রবাদপ্রতিম আলোকশিল্পী “আলোর জাদুগর”

জহর রায়, জ্ঞানেশ মুখার্জী শ্যামল দাসের জীবনে গভীর প্রভাব ফেলেন। রবি ঘোষ নাম দিয়েছিলেন "মিঠু"।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

গত ৩০শে ডিসেম্বর জীবনাবসান হলো বাংলা রঙ্গ মঞ্চের প্রবাদপ্রতিম আলোকশিল্পী “আলোর জাদুগর” শ্রী শ্যামল দাস। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিলো ৬২।

আরও পড়ুনঃ আজ সকাল থেকেই শুভেচ্ছা; উদযাপন হলেও আজ নয় মুখ্যমন্ত্রীর জন্মদিন

নাটকের মঞ্চই ছিলো শ্যামল দাসের ধ্যান জ্ঞান। নাটকের মঞ্চে মুহূর্তকে জীবন্ত করাই ছিলো তাঁর নেশা। কৌশোর পেড়িয়েই যৌবনের প্রারম্ভে তাঁর বাবা আরেক প্রবাদপ্রতিম আলোক নির্দেশক অভয় চরণ দাসের হাত ধরে পেশাদারী মঞ্চে শ্যামল দাসের হাতেখড়ি, চিনে নেওয়া মঞ্চে মায়াজাল সৃষ্টির রহস্য। শ্যামল দাসের  জীবনে যাঁরা ধ্রুবতারা হয়ে উঠেছিলেন তাঁরা হলেন জ্ঞানেশ মুখার্জী, জহর রায়, রবি ঘোষ, তাপস সেন

মূলত জহর রায়, জ্ঞানেশ মুখার্জী শ্যামল দাসের জীবনে গভীর প্রভাব ফেলেন। রবি ঘোষ নাম দিয়েছিলেন “মিঠু”। আদরের “মিঠু” কে নিয়ে রবি ঘোষ যেতেন পেটাই পরোটা খেতে। সেসময়ের রঙমহল, সার্কারিনা, বিশ্বরূপা, রঙ্গনা, বিজন, কাশীবিশ্বনাথ, দাপিয়ে কাজ করছেন, দিন,রাতের ব্যাবধান বোঝার সময় নূন্যতম অবসর তাঁর ছিলো না। এক এক দিনে তিনটের বেশি প্রোডাকশনে তিনি বুনেছেন আলোর মায়াজাল।

আরও পড়ুনঃ কাটা যাচ্ছে না মান্থলি, বন্ধ UTS! সঙ্কটে যাত্রীদের একাংশ

“ছদ্মবেশী, অমরকণ্টক, মানিকচাঁদের” মত খ্যাতনামা বহু প্রোডাকশনের আলোক নির্দেশনার দায়িত্বে ছিলেন শ্যামল দাস। মঞ্চে গাড়ি দুর্ঘটনা, বিমান দুর্ঘটনা, ইঁদুর কল নাটকে মঞ্চে বরফ পড়া দেখিয়ে সমাদৃত হয়েছেন। কাজ করেছেন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, শুভেন্দু চ্যাটার্জী, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, তাপস পাল, মাধুবী মুখার্জীর মত কিংবদন্তিদের সাথে। শ্যামল দাসের দু’হাতে আলোর-ছায়া খেলা করত প্রতিনিয়ত। দুর্গাপূজায় দেবীমূর্তিতে স্লাইড শো দেখিয়ে অনন্য নজির স্থাপন করেছেন। প্রোডাকশন নিয়ে রাজ্যের বাইরে পাড়ি দিয়েছেন। লক্ষৌনয়ে জনপ্রিয়তা এমন গগনচুম্বী পেয়েছেন, বার বার ডাক পেতেন লক্ষৌনয় থেকে। ২০২৪ সালে দুর্গাপুজোয় হাতিবাগান নবীন পল্লীর “থিয়েটার পাড়া” -তে শ্যামল দাসের আলো নজর কাড়ে

বাংলা নাট্য মঞ্চে অন্তর্ঘাত পরবর্তী সময়েও তিনি আঁকড়ে ছিলেন সেই মঞ্চকে। নাটকের মঞ্চে দৃশ্যায়ণ পরিস্ফুটনে তিনি ছিলেন অদ্বিতীয়। মঞ্চ নিয়ে ভাবনার মাঝেই শ্যামল দাসের যাপন।সুস্থ, পরিমার্জিত, রুচিসম্মত আলো প্রক্ষেপণে তিনি আকাশের মত বিশাল হয়ে থাকবেন।  জীবনের শেষ পর্যন্ত সেই নাটকেই মগ্ন ছিলেন।

শ্যামল দাসের প্রভাব, তাঁর ব্যাপ্তি রঙ্গমঞ্চে রয়ে যাবে।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন