বিশেষ ঐতিহ্য ও ভক্তিভাবাপন্ন প্রতিবেদন:
উত্তর কলকাতার শোভাবাজার তথা প্রাচীন সুতানুটির প্রবেশপথে অবস্থিত লাল রঙের দৃষ্টিনন্দন মন্দিরটি শুধু একটি ঐতিহাসিক স্থাপত্য নয়, এটি পরম শাক্ত সাধক অমরকৃষ্ণ চক্রবর্তী এবং তাঁর সাধের ‘পুঁটিয়া কালী’র পরম লীলাক্ষেত্র। মন্দিরের গায়ে খোদাই করা ফলক অনুযায়ী, ১৮৯৪ খ্রিষ্টাব্দ তথা ১৩০১ বঙ্গাব্দে অমরকৃষ্ণ চক্রবর্তী এই ‘লাল মন্দির’ বা ‘যোগমায়া মন্দির’ প্রতিষ্ঠা করেন। লাল রঙে রাঙানো এই মন্দির আজও সুতানুটির প্রবেশপথের দিশারী হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে।
আরও পড়ুনঃ সাধক কমলাকান্তের ‘জীবন্ত’ কালী ও কোটালহাটের কালজয়ী সাধনপীঠ; বোরহাটের কমলাকান্ত কালীবাড়ি
পুকুর থেকে মায়ের ক্ষুদ্র বিগ্রহ ও ‘পুঁটিয়া কালী’ নামকরণ
সাধক অমরকৃষ্ণ চক্রবর্তীর বর্তমান উত্তরসূরি শেলী ঘোষালের স্মৃতিচারণ থেকে জানা যায়, উনিশ শতকের শেষভাগে সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ সংলগ্ন এলাকা যখন ঘন জঙ্গলে ঘেরা ছিল, তখন সেখানে একটি কুটির নির্মাণ করে তিনি নির্জনে তন্ত্রসাধনা করতেন।
-
স্বপ্নাদেশ ও বিগ্রহ উদ্ধার: সাধক অমরকৃষ্ণ প্রত্যহ নিকটস্থ বিখ্যাত শোভাবাজার রাজবাড়ির পুষ্করিণীতে স্নান করতেন। একদিন রাতে মাতাজির স্বপ্নাদেশ পেয়ে তিনি ওই রাজবাড়ির পুকুর থেকেই মায়ের একটি অতি ক্ষুদ্র বিগ্রহ উদ্ধার করেন এবং নিজ কুটিরে প্রতিষ্ঠা করেন।
-
বিগ্রহের আকার ও নাম: বিগ্রহটির উচ্চতা ছিল মাত্র কয়েক ইঞ্চি। ক্ষুদ্রাকৃতির কারণে ভক্তদের কাছে ও সাধকের মুখে দেবীর নাম হয়ে যায় ‘মা পুঁটিয়া কালী’।
-
সাধকের মাতৃঙ্খলা: রাজবাড়ির পুকুর থেকে প্রাপ্ত


