বিশেষ রাজনৈতিক প্রতিনিধি:
নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা উপ-নির্বাচনে প্রার্থী ঘোষণা শেষ হলেও দলীয় প্রতীক ‘জোড়াফুল’ নিয়ে ধোঁয়াশা কাটেনি। বুধবার মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন পার হওয়ার পর, উপ-নির্বাচনে প্রতীক বরাদ্দের সিদ্ধান্ত নিতে বৃহস্পতিবার তৃণমূলের দুই শিবিরকেই দিল্লিতে জরুরি তলব করেছে ভারতের নির্বাচন কমিশন (ECI)।
বুধবার নির্বাচন সদন থেকে জানানো হয়েছে, বিকেলে দুই পক্ষের প্রতিনিধিদের পৃথকভাবে শুনানির জন্য ডাকা হয়েছে। আলোচনা ও নথিপত্র পর্যালোচনার পর প্রতীক সংক্রান্ত কোনো অন্তর্বর্তী রায় দিতে পারে কমিশন। আইনি জটিলতার কারণে আপাতত ‘জোড়াফুল’ প্রতীকটি ‘ফ্রিজ’ বা স্থগিত করা হতে পারে বলেও জল্পনা তৈরি হয়েছে।
উপ-নির্বাচন ও প্রার্থী তালিকার এক নজরে
আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে এবং ফলাফল জানা যাবে ৯ অক্টোবর। দুই কেন্দ্রের মূল প্রার্থীদের চিত্র নিচে তুলে ধরা হলো:
| কেন্দ্র | দল / শিবির | মনোনীত প্রার্থী |
| নন্দীগ্রাম | কালীঘাট (তৃণমূল) | ঋতব্রত শিবির | বিজেপি | কংগ্রেস | সঞ্চিতা প্রধান দে | মহম্মদ এহেতাশ মুল হক | হাসিরানি রথ | মিলন প্রধান |
| রেজিনগর | কালীঘাট (তৃণমূল) | ঋতব্রত শিবির | বিজেপি | কংগ্রেস | রবিউল আলম চৌধুরী | শেখ সফিউদ্দিন জামান | গোলাম নবি আজ়াদ (রবিন) | মহম্মদ আব্দুল্লাহিল কাফি |
আরও পড়ুনঃ জিও নেটওয়ার্ক নিয়ে ক্ষোভ! 4G-5G শুধু নামেই, কল ড্রপে নাজেহাল গ্রাহক; বাড়ছে রিচার্জের দাম
প্রতীক স্থগিত (Freeze) হলে কী বিকল্প?
নির্বাচনী আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, আসল দল বা প্রতীক নিয়ে মূল মামলাটি বিচারাধীন থাকায় কমিশন হয়তো চূড়ান্ত কোনো রায় দেবে না। তবে অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা হিসেবে:
-
মুক্ত প্রতীক (Free Symbols): যদি মূল প্রতীকটি স্থগিত বা ফ্রিজ করা হয়, তবে দুই পক্ষকেই কমিশনের নির্দিষ্ট তালিকা থেকে নতুন কোনো অস্থায়ী প্রতীক ও নাম বেছে নিতে হবে।
-
দলীয় আশাবাদ: দুই শিবিরের নেতৃত্বই আশাবাদী যে নথিপত্রের ভিত্তিতে প্রতীক সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত তাঁদের পক্ষেই যাবে।
বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকের পরই স্পষ্ট হবে, আগামী ৬ অক্টোবরের নির্বাচনে নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের লড়াই কোন কোন প্রতীকে হতে চলেছে।


