মহালয়ার ভোরে মণ্ডপে মণ্ডপে যখন দেবীর চক্ষুদান পর্ব চলছে, তখন শহরের রাস্তার ধারের একটি হোর্ডিং-এ ঘটল এক তাক লাগানো ঘটনা। সাধারণত দেবী দুর্গার প্রতিমা মানেই তিনি ‘দশপ্রহরণধারিণী’ অর্থাৎ দশহাতে দশটি অস্ত্রশোভিত রূপ। কিন্তু রাস্তার ধারের একটি হোর্ডিং এর প্রতিমার ছবি ঘিরে এখন শোরগোল পড়ে গিয়েছে—কারণ গতবার সেই প্রতিমার হাতের সংখ্যা ছিল এগারোটি, আর এবার তা নেমে এসেছে নয়টিতে! (ছবির সত্যতা যাচাই করেনি বঙ্গ বার্তা)
মা দুর্গার রূপের এই ব্যতিক্রমী বৈচিত্র্য কেবল শিল্পকলার এক অনন্য নিদর্শনই নয়, বরং তা নিয়ে ভক্ত ও দর্শনার্থীদের কৌতূহলও এখন চরমে।
আরও পড়ুনঃ যে কণ্ঠে জাগে শিকড়ের টান; বাঙালির অকৃত্রিম মহালয়া ও বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের অমর উত্তরাধিকার
হাতের সংখ্যায় তারতম্য কেন?

-
এবার নয় হাতের রূপ: তবে এবার শিল্পীর নতুন ভাবনা ও অন্য একটি পৌরাণিক বা তান্ত্রিক রূপকল্পকে মাথায় রেখে দেবীর হাতের সংখ্যা কমিয়ে করা হয়েছে নয়টি (নবপত্রিকা বা নবশক্তির প্রতীক হিসেবে)।
আরও পড়ুনঃ পরিবেশবান্ধব দুর্গাপুজো করলেই মিলবে ১ লক্ষ টাকা! বড় ঘোষণা অগ্নিমিত্রার
‘মা দুর্গা এমনই রহস্যময়ী!’
প্রতিমার এই ভিন্নরূপ সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই তা নিয়ে শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা। ভক্তদের একাংশের মতে, মা দুর্গা তো আদতে বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের শক্তির উৎস—তাঁর রূপ কোনো নির্দিষ্ট গণ্ডিতে বাঁধা থাকতে পারে না। প্রতিবার তাঁর এই রূপের বদল বা শৈল্পিক চমকই শারদোৎসবের আনন্দকে আরও বাড়িয়ে তোলে।
মহালয়ার পুণ্যলগ্নে প্রতিমার এই ব্যতিক্রমী রূপ দেখার জন্য ইতিমধ্যেই রাস্তার ধারে হোর্ডিং-টি দেখতে সাধারণ মানুষের ভিড় জমতে শুরু করেছেন আর মুচকি মেরে হাসছেন। দশভুজার চিরচেনা রূপের বাইরে শিল্পীর এই অভিনব সৃষ্টিই এবার পুজোর অন্যতম প্রধান আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।


