পালা বদল হয়েছে রাজ্যে। আর তারপরই তৃণমূলের দিকে তাকানো যাচ্ছে না। এত জন বিধায়ক থাকার পরও কখনও বোর্ড ভেঙে যাচ্ছে, কখনও কাউন্সিলররা পদত্যাগ করছেন। এই রকমই একের পর এক ঘটনা তৃণমূল অন্দরে অস্বস্তি বাড়াচ্ছিল। এর মধ্যেই ফের চওড়া হল ফাটল। এবার তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-র বিরুদ্ধে বিদ্রোহী তৃণমূলের ৫০ বিধায়ক। সূত্রের খবর, মঙ্গলবার স্পিকারের কাছে জমা পড়তে চলেছে এই ৫০ বিধায়কের তালিকা। নিজেদের ‘প্রকৃত তৃণমূল’ বলে দাবি করেছেন তাঁরা। এরপর থেকেই প্রশ্ন উঠছে, একটা কি বড়সড় ভাঙনের মুখে দাঁড়িয়ে তৃণমূল কংগ্রেস?
আগামিকাল ধরনায় নামতে চলেছে তৃণমূলের সর্বময় নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোট পরবর্তী হিংসায় সরব হওয়ার জন্য ফের ময়দানে তৃণমূল নেত্রী। যে সময় তিনি পথে নতুন লড়াইয়ের ডাক দিচ্ছেন, সেই সময়ই সূত্রের খবর, ৫০ বিধায়কের সই স্বাক্ষরিত একটি রেজুলিউশান জমা পড়তে চলেছে স্পিকারের কাছে। এই ৫০ জন বিধায়ক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ জানিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে জয়ধ্বনি দিচ্ছেন।
আরও পড়ুনঃ বাড়িতে বুলডোজার অ্যাকশনের আশঙ্কা! শেষমেশ হাইকোর্টের দ্বারস্থ অভিষেকের বাবা-মা
সূত্রের খবর, এই ৫০ জন আবার স্পিকারের কাছে নাম জমা দিচ্ছেন। সূত্র আরও বলেছে, এই ব্লকের মুখ হতে পারে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। এই বিধায়কদের মধ্যে নাম নেই মদন মিত্র, ফিরহাদ হাকিম, কুণাল ঘোষদের। এ দিকে, আজ দল থেকে ঋতব্রত ও সন্দীপন সাহাকে বহিষ্কার করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। সই জালিয়াতির অভিযোগে পরপর বিধায়কদের বাড়ি যাচ্ছে CID। বাদ যাননি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর সোমবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানালেন, এই সই জালিয়াতির অভিযোগ আদতে করেছিলেন সন্দীপন সাহা ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের কুড়ি মিনিটের মধ্যেই দল বিরোধী কাজের জন্য দুই বিধায়ককে বহিষ্কার করে তৃণমূল। ইতিমধ্যেই কুণাল ঘোষ এই দুজনকে ‘বিশ্বাসঘাতক’ বলে তোপ দেগেছেন। এই পরিবর্ত পরিস্থিতির মধ্যেই এবার নাম উঠে এল এদের।



