spot_img
Wednesday, 4 March, 2026
4 March
spot_img
Homeদক্ষিণবঙ্গBankura: বাবার সঙ্গে বচসা, সকালে ঘর থেকে উদ্ধার ছেলের ঝুলন্ত দেহ! চিতা...

Bankura: বাবার সঙ্গে বচসা, সকালে ঘর থেকে উদ্ধার ছেলের ঝুলন্ত দেহ! চিতা থেকে তুলে ময়নাতদন্তে পাঠাল পুলিশ

নিজেদের পারিবারিক দোকানের হিসাবপত্র নিয়ে ছেলের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়েছিল বাবার।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

সূর্য্যকান্ত চৌধুরী, বাঁকুড়া:

নিজেদের পারিবারিক দোকানের হিসাবপত্র নিয়ে ছেলের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়েছিল বাবার। গলায় সিলিং ফ্যানে ফাঁস লাগিয়ে ঝুলতে দেখা গিয়েছিল ছেলেকে। দেহ উদ্ধার করে তড়িঘড়ি পুড়িয়ে ফেলার আয়োজন করে ফেলেছিল পরিবার। কিন্তু শেষমেশ বিশেষ সূত্রে খবর পেয়ে চিতা থেকে দেহ উদ্ধার করে বিষ্ণুপুর জেলা হাসপাতালে ময়নাতদন্তে পাঠালো পুলিশ। ঘটনা বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর থানার জিয়াবান্দি গ্রামের।

আরও পড়ুনঃ ৭টা পরিবার; বাড়ি হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়তেই প্রতিযোগিতা শুরু শাসক-বিরোধী শিবিরে

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার রাতে জিয়াবান্দি গ্রামের বাসিন্দা মানস দত্তর সঙ্গে তাঁর বাবা অসীম দত্তর (২২) বচসা হয় পারিবারিক ব্যবসার হিসাব নিয়ে। তারপরই দেখা যায় বাড়িতেই সিলিং ফ্যানে গলায় দড়ির ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন মানস দত্ত। এদিন সকালে ঘরের দরজা খুলে সিলিং ফ্যান থেকে মানসের দেহ ঝুলতে দেখেন পরিবারের লোকজন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যেরও সৃষ্টি হয়। দেহ উদ্ধার করে তড়িঘড়ি দেহ সৎকারের ব্যবস্থা করে পরিবার। স্থানীয় শ্মশানে নিয়ে গিয়ে চিতা সাজানো হয়।

আরও পড়ুনঃ বাঁকুড়ায় জঙ্গলমহলে শক্তি বাড়ছে ঘাসফুল শিবিরের, তৃণমূলে ফিরলেন জয়ন্ত মিত্র

কিন্তু, বিশেষ সূত্রে সেই খবর পেয়ে যায় পুলিশ। তড়িঘড়ি গ্রামের শ্মশানে হাজির হয় বিষ্ণুপুর থানার পুলিশ। দেহ উদ্ধার করে দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয় বিষ্ণুপুর জেলা হাসপাতালে। পরিবারের দাবি ময়নাতদন্তের বিষয়টি তাঁদের জানা ছিল না। তাই সৎকারের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। মৃতের বাবা অসীম দত্ত বলছেন, “আজ সকালে অনেক ডাকাডাকি হলেও ও দরজা খোলেনি। শেষ পর্যন্ত আমরা ঢুকতেই দেখি দড়ি থেকে ঝুলছে। আমরা শ্মশানেও নিয়ে চলে যাই। আগুন দেওয়ার আগেই পুলিশ গিয়ে আটকে দেয়। বলছে ময়নাতদন্ত করব। এখন বিষ্ণুুপুর হাসপাতালে নিয়ে এসেছে।”

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন