spot_img
Monday, 16 March, 2026
16 March
spot_img
Homeসমস্তSIR in West Bengal: এবার SIR হিয়ারিংয়ের পালা; ডাকা হবে কাদের? স্পষ্ট...

SIR in West Bengal: এবার SIR হিয়ারিংয়ের পালা; ডাকা হবে কাদের? স্পষ্ট জানাল কমিশন

শুনানি মানেই সমস্যা এমন ভাবার কোনও কারণ নেই। নির্বাচন কমিশনের পরামর্শ, আগেভাগে সমস্ত প্রয়োজনীয় নথি প্রস্তুত রাখুন।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

আজ প্রকাশ্যে আসছে খসড়া ভোটার তালিকা। এর পরদিন থেকেই শুরু হবে ভোটার তালিকা সংক্রান্ত শুনানি বা হিয়ারিং প্রক্রিয়া। এই পর্যায়ে নির্বাচন কমিশনের তরফে বাছাই করা কিছু ভোটারকে ডাকা হবে। তাঁদের নাগরিকত্ব ও ভোটার হওয়ার যোগ্যতা যাচাইয়ের জন্য নির্দিষ্ট নথি পেশ করতে বলা হবে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঠিকভাবে দেখাতে পারলেই চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় নাম বহাল থাকার কথা।

তবে ঠিক কোন কোন ভোটারকে শুনানির মুখোমুখি হতে হতে পারে, সে বিষয়েও স্পষ্ট নির্দেশিকা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। কোন পরিস্থিতিতে কমিশনের নজরে পড়তে পারেন আপনি, এক নজরে দেখে নেওয়া যাক— ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম না থাকলে কী হবে..

আরও পড়ুনঃ দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান; প্রায় ৫৮ লক্ষের নাম বাদ! প্রকাশিত খসড়া ভোটার তালিকা

নাম না থাকলে কী হবে?

যাঁদের নাম ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নেই, তাঁদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত যাচাইয়ের প্রয়োজন হতে পারে বলে মনে করছে কমিশন। সেই কারণে সংশ্লিষ্ট ভোটারদের শুনানিতে ডাকা হতে পারে। শুনানির সময় কমিশনের নির্ধারিত ১১টি বৈধ নথির মধ্যে যেকোনও একটি জমা দিতে পারলেই নাম বহাল থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

পরিবারের আগের প্রজন্মের নাম তালিকায় না থাকলে EC voter list hearing rules eligibility

যদি কোনও ভোটারের বাবা-মা বা ঠাকুমা-ঠাকুরদার নাম পুরনো ভোটার তালিকায় না পাওয়া যায় এবং একই সঙ্গে তাঁর নিজের নামও আগের তালিকায় অনুপস্থিত থাকে, সে ক্ষেত্রেও শুনানির ডাক আসতে পারে। আধার কার্ড ছাড়া, কমিশন যে ১১টি নথিকে বৈধ বলে চিহ্নিত করেছে, তার মধ্যে যেকোনও একটি দেখাতে পারলেই যথেষ্ট।

ভুল বা অসঙ্গত তথ্য জমা পড়লে

বিশেষ নিবিড় সংশোধন কর্মসূচির সময় অনেক ফর্মে তথ্যগত ভুল বা অসঙ্গতি ধরা পড়েছে। এই ধরনের ভুল নজরে এলেই কমিশন সংশ্লিষ্ট ভোটারকে ডেকে ব্যাখ্যা চাইতে পারে। শুনানিতে গিয়ে সঠিক তথ্য ও নথি পেশ করলে সংশোধনের সুযোগ মিলবে।

আরও পড়ুনঃ ডাকাতদের দ্বারা পূজিত হতেন মধ্যযুগে; মালদার এই মন্দিরে পুজো দিলেই নাকি পূরণ হয় মনস্কামনা!

ফর্মের তথ্য স্পষ্ট না হলে

কিছু ক্ষেত্রে ফর্মে দেওয়া তথ্য এতটাই অস্পষ্ট যে তা বুঝতে সমস্যা হয়েছে ব্লক লেভেল অফিসার বা ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসারের। এই ধরনের ক্ষেত্রেও শুনানিতে হাজিরা দিতে হতে পারে ভোটারকে।

বাবা-মায়ের বয়সের ব্যবধান নিয়ে প্রশ্ন উঠলে

নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বাবা ও মায়ের বয়সের ব্যবধান যদি ১৫ বছর বা তার বেশি হয়, তবে সেই তথ্য যাচাইয়ের প্রয়োজন হতে পারে। ওই পরিস্থিতিতে ভোটারকে ডেকে প্রয়োজনীয় নথি পরীক্ষা করা হবে।

এ ছাড়াও কোনও তথ্য নিয়ে কমিশনের মনে যদি যুক্তিসঙ্গত সন্দেহ তৈরি হয়, তাহলে যে কোনও ভোটারকেই শুনানির জন্য ডাকা হতে পারে।

ভোটারদের জন্য কমিশনের বার্তা

শুনানি মানেই সমস্যা এমন ভাবার কোনও কারণ নেই। নির্বাচন কমিশনের পরামর্শ, আগেভাগে সমস্ত প্রয়োজনীয় নথি প্রস্তুত রাখুন। নিজের দাবি প্রমাণ করতে পারলেই জটিলতা কাটবে। সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত চূড়ান্ত ভোটার তালিকাতেও নাম থাকবে, এমনটাই জানাচ্ছেন নির্বাচন আধিকারিকরা।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন