spot_img
Tuesday, 3 March, 2026
3 March
spot_img
HomeকলকাতাCoochbehar: জল্পনা চলছিল, উঠছিল দুর্নীতির অভিযোগ; পদত্যাগ করলেন রবীন্দ্রনাথ ঘোষ

Coochbehar: জল্পনা চলছিল, উঠছিল দুর্নীতির অভিযোগ; পদত্যাগ করলেন রবীন্দ্রনাথ ঘোষ

এই পদত্যাগ নিয়ে স্বাভাবিকভাবে রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা মাথাচাড়া দিয়েছে।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

সোমেন দত্ত, কোচবিহারঃ

বেশ কিছুদিন ধরেই জল্পনা চলছিল। উঠছিল দুর্নীতির অভিযোগ। এবার পদত্যাগ করলেন কোচবিহারের তৃণমূল কাউন্সিলর রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। সূত্রের খবর, তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের নির্দেশে পদত্যাগ করেছেন রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। শনিবার সকালে তিনি সদর মহকুমা শাসকের বাড়িতে যান ও পদত্যাগ পত্র জমা দিয়ে আসেন। অভিষেকের কথাতেই যে তিনি পদত্যাগ করেছেন, সে কথা জানিয়েছেন রবি ঘোষ নিজেই।

আরও পড়ুনঃ একেবারেই খুল্লামখুল্লা TMC নেতা অমিতাভ বিশ্বাস, বললেন ‘ED-র পশ্চাৎদেশে ডাণ্ডা মারুন, আর বিজেপি কর্মীদের গুলি করে দিন’; এত কিছুর পরেও চুপ কেন্দ্র!

কোচবিহার পুরসভার পুরপ্রধান পদে ইস্তফা রবীন্দ্রনাথ ঘোষের। শনিবার মহকুমা শাসকের কাছে পদত্যাগ পত্র জমা দেন বর্ষীয়ান নেতা। কী কারণে আচমকা এই পদক্ষেপ, সে বিষয়ে অবশ্য কিছুই বলেননি তিনি। তবে এই পদত্যাগ নিয়ে স্বাভাবিকভাবে রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা মাথাচাড়া দিয়েছে।

মাসখানেক আগে কোচবিহারের তিন পুরসভায় রদবদল হয়। তুফানগঞ্জের ভাইস চেয়ারম্যান, মাথাভাঙার চেয়ারম্যান এবং হলদিবাড়ির চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান বদল হন। সূত্রের খবর, সেই সময় কোচবিহার পুরসভার চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ ঘোষকে পদত্যাগ করতে বলা হয়। তবে তিনি বেঁকে বসেন। কোচবিহার জেলা তৃণমূল সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিককে সাফ জানিয়ে দেন তিনি পদত্যাগ করবেন না। মুখ্যমন্ত্রী কিংবা রাজ্য নেতৃত্বের নির্দেশ পেলে ভাবনাচিন্তা করবেন বলেও জানান। ইতিমধ্যে কোচবিহার সফর সারেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

আরও পড়ুনঃ বিরল পাখির স্বর্গরাজ্য এখন বক্সা, জয়ন্তীর জঙ্গলে দেশ-বিদেশের বিশেষজ্ঞদের ভিড়!

সেই সময় রবীন্দ্রনাথ ঘোষের সঙ্গে কথা হয় তাঁর। মিলেমিশে কাজের বার্তাও নাকি দেন দলনেত্রী। সম্প্রতি কলকাতায় আসেন রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। এবারের সফরেও দলীয় নেতৃত্বর সঙ্গে কথা হয় তাঁর। গত বৃহস্পতিবার কোচবিহারে ফেরেন। তার ঠিক ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই পদত্যাগ করেন বর্ষীয়ান নেতা।

কেউ কেউ বলেন, সম্প্রতি দলের সঙ্গে নাকি সম্পর্কে শৈত্য এসেছে রবীন্দ্রনাথ ঘোষের। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা এর নেপথ্যে কয়েকটি কারণও খুঁজে পেয়েছেন। একে তো রবীন্দ্রনাথ ঘোষের নেতৃত্বাধীন জেলা তৃণমূল গত বিধানসভা কিংবা লোকসভা ভোটে মোটেও ভালো ফলাফল করতে পারেনি। আবার সম্প্রতি কোচবিহার শহরে কর বৃদ্ধি নিয়ে সমস্যা দানা বাঁধে। কর সংক্রান্ত জটিলতায় ব্য়বসায়ীদের সঙ্গে সংঘাতেও জড়িয়ে পড়েন রবিবাবু। যা নিয়ে প্রকাশ্যেই সতর্ক করেছিলেন খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কোনওভাবেই কর বৃদ্ধি করা যাবে না বলেই জানিয়েছিলেন তিনি। তবে তারপরেও নাকি পরিস্থিতির কোনও বদল হয়নি। সে কারণেই সম্ভবত দিনে দিনে ক্ষোভ তৈরি হচ্ছিল। মনে করা হচ্ছে, এবার নতুন চেয়ারম্যানকে দায়িত্বে এনে কোচবিহারের ভোট অঙ্ক বদলের চেষ্টা চলছে। রবীন্দ্রনাথ ঘোষের পদত্যাগের পর ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর দিলীপ সাহা চেয়ারম্যান হতে পারেন। তবে এখনও দলের তরফে নিশ্চিতভাবে কারও নাম জানানো হয়নি।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন