spot_img
Sunday, 15 February, 2026
15 February
spot_img
Homeদক্ষিণবঙ্গShantiniketan Basanta Utsav 2026: বসন্ত জাগ্রত দ্বারে! ঐতিহ্যের সঙ্গে আপস নয়; বিশ্বভারতীতে...

Shantiniketan Basanta Utsav 2026: বসন্ত জাগ্রত দ্বারে! ঐতিহ্যের সঙ্গে আপস নয়; বিশ্বভারতীতে বসন্ত উৎসব রুদ্ধদ্বারেই

এবারও হতাশার কথা শোনাল বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

দোলের দিন নয়, এ বছরও 6 মার্চই বসন্তোৎসব পালন করবে বিশ্বভারতী। ইউনেস্কোর ‘ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ’ তকমা পাওয়ার পর থেকেই উৎসব ঘিরে বাড়তি সতর্কতা নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। সেই ধারাবাহিকতায় উপচে পড়া ভিড় ও বিশৃঙ্খলা এড়াতে দোলের দিন শান্তিনিকেতনে বসন্তোৎসব হচ্ছে না। আশ্রম প্রাঙ্গণে সীমিত পরিসরে, ঘরোয়া আবহেই উদ্‌যাপন হবে রবীন্দ্রনাথের প্রবর্তিত এই ঐতিহ্যবাহী উৎসব।

বিশ্বভারতীর ভারপ্রাপ্ত জনসংযোগ আধিকারিক অতিগ ঘোষ জানান, বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে 6 মার্চ আশ্রম প্রাঙ্গণে বসন্তোৎসব আয়োজন করা হবে। হেরিটেজ রক্ষার্থে বহিরাগতদের প্রবেশ নিষিদ্ধ থাকবে। কেবলমাত্র পড়ুয়া, অধ্যাপক-অধ্যাপিকা, আশ্রমিক ও প্রাক্তনীরাই নির্দিষ্ট পোশাকবিধি মেনে ‘ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ’ ক্যাম্পাসে প্রবেশাধিকার পাবেন।

আরও পড়ুনঃ রাত পেরলেই শিবরাত্রি; ভিড় সামলাতে হাওড়া-তারকেশ্বর রুটে বিশেষ ট্রেন

২০২৩ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর ইউনেস্কো বিশ্বভারতীকে ‘ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ’ স্বীকৃতি দেয়। বিশ্বের একমাত্র চলমান বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে এই তকমা পাওয়ার পর থেকেই ঐতিহ্য সংরক্ষণে কড়াকড়ি বাড়িয়েছে কর্তৃপক্ষ। বিশ্বভারতী চত্বরে রয়েছে ঐতিহ্যবাহী শান্তিনিকেতন গৃহ, উপাসনা গৃহ, ছাতিমতলা, সিংহ সদন, ঘণ্টাতলা, কালোবাড়ি এবং রামকিঙ্কর বেইজের একাধিক ভাস্কর্য—যেগুলি আন্তর্জাতিক গুরুত্বসম্পন্ন ঐতিহ্যের অংশ।

২০১৯ সালের বসন্তোৎসবের অভিজ্ঞতা এখনও তাজা শান্তিনিকেতনবাসীর মনে। অভিযোগ, সে বছর বহিরাগতদের ‘বসন্ত তাণ্ডব’-এ উৎসবের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয়েছিল। আশ্রম মাঠ থেকে বস্তাবন্দি মদের বোতল, প্লাস্টিক উদ্ধার হয়। এমনকি ঐতিহ্যবাহী শিল্পকর্মেও আবির মাখিয়ে দেওয়া হয়েছিল। সেই ঘটনার পর তৎকালীন উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী দোলের দিন বসন্তোৎসব বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেন এবং বহিরাগতদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।

আরও পড়ুনঃ ‘এ বার দেশ গড়ার পালা’! তারেকের কণ্ঠে ঐক্যের সুর

এ বছর ৩ মার্চ দোল। সেই দিন ভিড় এড়াতে এবং সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলা রুখতেই ৬ মার্চ বসন্তোৎসব পালনের সিদ্ধান্ত। বিশ্বভারতীর উপাচার্য প্রবীর কুমার ঘোষের তত্ত্বাবধানে বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়। ৬মার্চ যথারীতি শান্তিনিকেতন গৃহ থেকে ‘ওরে গৃহবাসী’ গানের সুরে শোভাযাত্রা বেরোবে। রবীন্দ্রসঙ্গীত ও নৃত্যের মধ্য দিয়ে বসন্তকে আহ্বান জানানো হবে আশ্রম প্রাঙ্গণে। তবে পুরো আয়োজনই হবে সীমিত ও নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে।

বিশ্বভারতী সূত্রে খবর, ওই দিন যাতে কোনওভাবে বহিরাগতরা আশ্রম চত্বরে প্রবেশ করতে না পারেন, সে জন্য পুলিশের সাহায্য নেওয়া হবে। পাশাপাশি মোতায়েন থাকবে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব নিরাপত্তারক্ষীরাও।

হেরিটেজ তকমার মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রেখে, ঐতিহ্য ও শৃঙ্খলার মধ্যে দিয়েই বসন্তকে বরণ করতে চাইছে বিশ্বভারতী—এ বারও তারই প্রস্তুতি।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন