spot_img
Sunday, 15 March, 2026
15 March
spot_img
Homeআন্তর্জাতিক নিউজIran: মুসলিম দেশগুলিকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ডাক ইরানের

Iran: মুসলিম দেশগুলিকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ডাক ইরানের

ইরানের সামরিক কর্তাদের বক্তব্যে স্পষ্ট, তারা যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলকে তাঁদের প্রধান প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখছে

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

ইরান-ইজায়েলের যুদ্ধ থামার কোনওরকম ইঙ্গিত আপাতত এখনও পাওয়া যায়নি। এই পরিস্থিতিতে মুসলিম দেশগুলিকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানালেন ইরানের সামরিক মুখপাত্র আবোলফাজল শেখারচি। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শেখারচির মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের প্রভাব মোকাবিলায় ইসলামিক দেশগুলির এই  মুহূর্তে একজোট হওয়া অত্যন্ত জরুরি। ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুসলিম বিশ্বের নেতাদের ইরান ও তার জনগণের উপর আস্থা রেখে ঐক্যের পথে এগোনোর জন্য ডাক দেন তিনি। তাঁর দাবি, একমাত্র মুসলিম দেশগুলির সম্মিলিত শক্তিই ইসলামী বিশ্বকে আরও শক্তিশালী করে তুলতে পারে।

আরও পড়ুনঃ ক্ষমতা গেলেই জেল যাত্রা! স্পষ্ট করলেন মোদী

মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি ক্রমশ আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। ইরানের সামরিক কর্তাদের বক্তব্যে স্পষ্ট, তারা যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলকে তাঁদের প্রধান প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখছে। এর আগেও ইরানের সামরিক কাঠামোর একটি গুরুত্বপূর্ণ ইউনিট খাদ আল-আনবিয়ার কেন্দ্রীয় সদর দফতরের মুখপাত্র ইব্রাহিম জুলফিকারি আমেরিকা ও ইজরায়েলকে কড়া হুঁশিয়ারি দেন। তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সংঘর্ষে যে রক্তপাত হয়েছে তার মূল্য আমেরিকা ও ইজরায়েলকে দিতে হবে এবং প্রয়োজন হলে তার প্রতিশোধও নেওয়া হবে।

জুলফিকারি আরও বলেন যে, ইরানের বায়ুসেনা সম্প্রতি শত্রুপক্ষের একাধিক ড্রোন ও বিমান ধ্বংস করেছে। তাঁর কথায়, অন্তত তিনটি এমকিউ–৯ ড্রোন ধ্বংস করা হয়েছে। এর মধ্যে দুটি দক্ষিণ ইরানের ফিরোজাবাদ ও বন্দর আব্বাস অঞ্চলের কাছে ধ্বংস করা হয়, আর একটি তাবরিজের আকাশে গুলি করে নামানো হয়। ইরানের দাবি অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সংঘাতে মোট ১১২টি ড্রোন ধ্বংস করা হয়েছে, যার মধ্যে নজরদারি ড্রোন, যুদ্ধবিমান এবং আত্মঘাতী ড্রোনও রয়েছে।

ইরানের সামরিক কর্তারা আরও জানিয়েছেন, সংঘর্ষের সময় তারা উন্নত প্রযুক্তির ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করেছে। জুলফিকারির দাবি, ‘খাইবার-শেকেন’ নামের কঠিন জ্বালানিচালিত নির্ভুল ক্ষেপণাস্ত্র এবং বিভিন্ন আক্রমণাত্মক ড্রোন ব্যবহার করে ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলের সামরিক কমান্ড কাঠামো ও মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলিকে লক্ষ্য করা হয়েছিল। তাঁর কথায়, ওই অঞ্চলে মার্কিন সেনাদের অন্তত দশটি অবস্থান এবং তিনটি ঘাঁটিতে হামলা চালানো হয়। তেল আবিবে সাতটি, রিশন লিজিওনে দুটি এবং শোহাম এলাকায় একটি সামরিক অবস্থান লক্ষ্যবস্তু ছিল বলে তিনি দাবি করেন।

আরও পড়ুনঃ ওৎ পেতে আছে সাক্ষাৎ মৃত্যু! ভয়ঙ্কর ঘটনা ভোররাতে

এদিকে ইরানের শক্তিশালী বাহিনী  ইসলামিক রিভোলিউশনারি গার্ড কর্পসও তাদের সামরিক ক্ষমতার প্রদর্শন করেছে বলে দাবি করা হয়েছে। ইরানি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, একটি ভূগর্ভস্থ টানেলে বিপুল সংখ্যক ড্রোন প্রদর্শন করা হয়, যা ইরানের বিমান শক্তির প্রতীক হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। সেই টানেলে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার উত্তরসূরি হিসেবে আলোচনায় থাকা মোজতোবা খামেনেইর ছবিও দেখা যায়। জুলফিকারি জানিয়েছেন, শত্রুপক্ষ পূর্ণাঙ্গ প্রতিক্রিয়া না পাওয়া পর্যন্ত এই অভিযান থামবে না এবং ইরান তার জনগণের রক্তের প্রতিশোধ নিতেই দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন