সোমেন দত্ত, কোচবিহারঃ
বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনের আগে জোরদার প্রচার চলছে। অমিত শাহ থেকে নরেন্দ্র মোদী প্রত্যেকেই দিল্লি থেকে এসে বাংলার পদ্ম ফোটানোর আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছেন। আজ রবিবাসরীয় প্রচারে ভোট ঘোষণা হওয়ার পর প্রথমবার বাংলায় এলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কোচবিহারের রাসমেলা ময়দানে যোগ দিলেন পরিবর্তন সংকল্প সভায়। মোদীকে দর্শন করতে এসেছিলেন শয়ে শয়ে ভক্ত। তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি অভিনবত্ব নিয়ে এলেন মাথাভাঙ্গার প্রফুল্ল বর্মন।
আরও পড়ুনঃ এক শতাব্দীর মহাকাব্য! পদ্মশ্রী কিংবদন্তি আলোকস্তম্ভ ডাঃ মণি ছেত্রীর জীবনাবসান; বয়স হয়েছিল ১০৬
তিনি যেমন তেমন ভক্ত নন। রীতিমত নিজের বাড়িতে নরেন্দ্র মোদীর নামে বানিয়েছেন মন্দির। নাম দিয়েছেন মোদী ধাম। ২০২৫ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর এই মন্দির তৈরী করেন প্রফুল্ল। এই মন্দিরে তিনি করেন নিত্যপূজা। ১৭ সেপ্টেম্বর মোদীর ৭৫ তম জন্মদিনে ৭৫ কিলো কেক কেটে এই মন্দির উদ্বোধন করেছিলেন মাথাভাঙ্গার এই মোদী ভক্ত। এই ছবি সমাজ মাধ্যমে ভাইরাল হলে অনেকেই বলতে শুরু করেন একজন রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্বের এই ধরণের ভক্ত সাধারণত দেখা যায়না।

আজ মোদীর সভায় প্রফুল্ল নিজের মোদী ভক্তি তুলে ধরতেই এসেছিলেন এবং তিনি বলেন এত মানুষের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর দর্শন হবে কি না তা জানা নেই তবে তিনি মোদীকে জানাতে চান তার ভক্তির কথা এবং তাকে ঈশ্বরের স্থানে রেখে পুজো করার কথা। প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে সময় মতোই মঞ্চে এলেন মোদী এবং সভা থেকে বাংলায় পরিবর্তের ডাক দিয়ে গেলেন। তৃণমূলের জঙ্গল রাজ থেকে শুরু করে কর্মসংস্থান।
আরও পড়ুনঃ ভয়ঙ্কর সংঘাত; নতুন স্ট্রাটেজি নিয়ে আক্রমণ শানিয়ে যুদ্ধের মোড় ঘোরাচ্ছে হিজবুল্লাহ
আলু চাষিদের দুর্দশা নিয়েও তিনি তৃণমূলকে নিশানা করেন এবং বাংলার সমস্ত রাজনৈতিক দলকে আওহ্বান জানান দলমত নির্বিশেষে তৃণমূলকে বয়কট করতে এবং বাংলার মসনদ থেকে সরিয়ে দিতে। প্রতিশ্রুতি এবং হুঁশিয়ারি মিলে মিশে একাকার হয়ে গেল মোদীর ভাষণে। এখন শুধুই নির্বাচনের অপেক্ষা এবং বাংলার ভাগ্যে কি অপেক্ষা করছে তা জানা যাবে ৪মে তারিখে।



