Thursday, 30 April, 2026
30 April
HomeকলকাতাWest Bengal Election: 'পুলিশের শরীরী ভাষা বদলেছে, তারা করে দেখানোর সুযোগ চাইছে

West Bengal Election: ‘পুলিশের শরীরী ভাষা বদলেছে, তারা করে দেখানোর সুযোগ চাইছে

শান্তিপূর্ণ এবং ঐতিহাসিক ভোট করে দেখিয়েছেন। চাইলে প্রশাসন অনেক কিছু করতে পারে।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

নিরপেক্ষ এবং অবাধ নির্বাচন করানোর জন্য ভিনরাজ্য থেকে পুলিশ অবজার্ভার নিয়ে এসেছিল নির্বাচন কমিশন। ২ লক্ষের বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল রাজ্যে। এই আবহে ভোটারদের প্রাভাবিত করার চেষ্টায় থাকা তৃণমূল কর্মীদের ওপর চড়াও হতে পিছ পা হয়নি বাহিনী। তবে বহু জায়গায় দেখা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় বাহিনীর থেকে পুলিশ বেশি মারমুখি ছিল। কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাই কার্তিক থেকে মমতার ভাতৃবধূ তথা তৃণমূল কাউন্সিলর কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায়কে জমায়েত করতে বারণ করেছিল পুলিশ। আবার বর্ধমানে তৃণমূলের কাউন্সিলরের চেয়ারে লাথি মারেন এক পুলিশ। ভোট প্রক্রিয়ায় বাধা দেওয়া বহু তৃণমূল নেতাকে পুলিশ গ্রেফতার করে। এই পরিস্থিতিতে ভোটের পরদিন পুলিশের ভূমিকা নিয়ে মুখ খুললেন বিজেপি নেতা তথা খড়গপুর সদরের প্রার্থী দিলীপ ঘোষ।

আরও পড়ুনঃ আর কিছুক্ষণের অপেক্ষা! প্রকাশিত হবে ICSE ও ISC-র ফল; এখানেই দেখে নিন

পুলিশের ভূয়সী প্রশংসা করে দিলীপ বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ এবং কলকাতা পুলিশের শরীরী ভাষা বদলে গিয়েছে। পুলিশ চাইছে, তাদের সুযোগ দেওয়া হোক। কিছু করে দেখাতে চাইছে।’ এদিকে দেশের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক জ্ঞানেশ কুমারেরও প্রশংসা করেন দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, ‘জ্ঞানেশ কুমারকে যারা ভ্যানিশ কুমার বলেছিল তারাই ভ্যানিশ হয়ে যাওয়ার দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে আছে। উনি এবার দুই দফায় ভোট করে খুব বড় চ্যালেঞ্জ নিয়েছিলেন। শান্তিপূর্ণ এবং ঐতিহাসিক ভোট করে দেখিয়েছেন। চাইলে প্রশাসন অনেক কিছু করতে পারে।’ আর কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘কেন্দ্রীয় আধা সেনা তাঁদের কর্তব্য করেছে।’

আরও পড়ুনঃ কড়া পদক্ষেপ, ভোটের পরেও বাংলায় মোতায়েন ৫০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী

দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘পনেরো বছর ধরে রাজত্ব করা শাসক দলের কাছে এবারের নির্বাচনে আর কোনও ইস্যু ছিল না। যেদিন থেকে এসআইআর কথাটা উচ্চারণ হয়েছে সেদিন থেকে বলা হয়েছে এসআইআর করতে দেব না। বিএলও ইউনিয়ন তৈরি করে ফেলা, জ্ঞানেশ কুমারকে কালো পতাকা দেখানো, গো-ব্যাক বলা হয়েছে। কিন্তু এত কিছুর পরও তিনি নড়েননি। করে দেখিয়ে দিয়েছেন। বাঙালির ঘিলু শুকিয়ে যায়নি যে আবার তৃণমূল কংগ্রেসকে ভোট দেবে।’

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন