Wednesday, 13 May, 2026
13 May
HomeকলকাতাSujit Bose: করোনাকালে ঘরে-ঘরে হাহাকার! অথচ সে-সময়ই সুজিতের 'রেস্তোরাঁর অ্যাকাউন্টে কোটি কোটি...

Sujit Bose: করোনাকালে ঘরে-ঘরে হাহাকার! অথচ সে-সময়ই সুজিতের ‘রেস্তোরাঁর অ্যাকাউন্টে কোটি কোটি টাকা জমা’

টাকার উৎসই বা কী? কেন মন্ত্রীর পুত্র-কন্যার অ্যাকাউন্টে টাকা যেত? এসব প্রশ্নেরই উত্তর জানতে চায় কেন্দ্রীয় এজেন্সি।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

পুর-দুর্নীতি মামলায় (Municipal Corruption Case) ধৃত তৃণমূল নেতা ও প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী Sujit Bose-কে সোমবার আদালতে পেশ করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ED। মেডিক্যাল পরীক্ষার পর তাঁকে বিশেষ আদালতে তোলা হয়। সূত্রের খবর, তদন্তে আরও তথ্য জানতে সুজিত বসুর ১০ দিনের হেফাজতের আবেদন জানিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

ED সূত্রে দাবি, জেরার সময় সুজিত বসুর বক্তব্যে বারবার অসঙ্গতি ধরা পড়ে। তদন্তকারীদের একাধিক প্রশ্নের সন্তোষজনক উত্তর তিনি দিতে পারেননি বলেও অভিযোগ। সেই কারণেই তাঁকে গ্রেফতারের সিদ্ধান্ত নেয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

আরও পড়ুনঃ সামনে আসবে বড় নাম! কেঁচো খুঁড়তে গিয়ে কেউটের হদিশ

রেস্তোরাঁর অ্যাকাউন্টে কোটি কোটি টাকার লেনদেনের অভিযোগ

ED সূত্রে দাবি, করোনাকালীন সময়েই সুজিত বসুর চাইনিজ রেস্তোরাঁর অ্যাকাউন্টে বিপুল অঙ্কের টাকা জমা পড়ে। তদন্তকারীদের অভিযোগ, ওই রেস্তোরাঁর অ্যাকাউন্টে প্রায় দেড় থেকে ২ কোটি টাকা জমা হয়েছিল। শুধু তাই নয়, সুজিত বসু এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা একাধিক রেস্তোরাঁর অ্যাকাউন্টে গত ৭ বছরে মোট প্রায় ৮ কোটি টাকা জমা পড়েছে বলেও দাবি ED-র।

দুর্নীতির টাকা রেস্তোরাঁর মাধ্যমে ঘোরানো হয়েছে?

তদন্তকারী সংস্থার অনুমান, পুর-দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত টাকা বিভিন্ন সময়ে ওই অ্যাকাউন্টগুলিতে জমা করা হয়েছিল। অর্থাৎ রেস্তোরাঁ ব্যবসাকে ব্যবহার করে কালো টাকা সাদা করার (Money Laundering) চেষ্টা হয়েছে কি না, সেটাই খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। ইতিমধ্যেই একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট এবং আর্থিক নথি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর।

আরও জেরা করতে চায় ED

ED-র দাবি, আর্থিক লেনদেনের উৎস, টাকার প্রকৃত মালিক এবং দুর্নীতির সঙ্গে সরাসরি যোগ রয়েছে কি না, তা জানতে সুজিত বসুকে হেফাজতে নিয়ে জেরা করা প্রয়োজন। আদালতে সেই কারণেই ১০ দিনের হেফাজতের আবেদন জানানো হয়েছে বলে সূত্রের খবর।

আরও পড়ুনঃ হাওড়া পুরসভার ভোটের জট খুলতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু এবং পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রার, জটিলতা কাটিয়ে নির্বাচন চায় রাজ্য

সমুদ্র বসুর রেস্তোরাঁ থেকে টাকা উদ্ধার

দমকলমন্ত্রীর ছেলে সমুদ্র বসুর রেস্তোরাঁ থেকে টাকাও উদ্ধার হয় বলে খবর ইডি সূত্রে। ওই মাসেরই শেষে তারাতলা ও লেকটাউনে ব্যবসায়ী বিবেক ঢনঢনিয়ার বাড়ি ও অফিসে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার হয় টাকার পাহাড়! ED সূত্রে খবর, তারাতলার অফিস থেকে উদ্ধার হয় প্রায় ৩ কোটি টাকা। সূত্রের খবর, ওই সংস্থার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে নিয়মিত টাকা যেত মন্ত্রী সুজিত বসুর ছেলে ও মেয়ের অ্যাকাউন্টে। পাশাপাশি প্রচুর সম্পত্তিরও হদিশ মিলেছে। ওইসব সম্পত্তি কীভাবে কেনা হয়েছিল? টাকার উৎসই বা কী? কেন মন্ত্রীর পুত্র-কন্যার অ্যাকাউন্টে টাকা যেত? এসব প্রশ্নেরই উত্তর জানতে চায় কেন্দ্রীয় এজেন্সি।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন