Wednesday, 13 May, 2026
13 May
Homeদক্ষিণবঙ্গPetrol Crisis: ‘ট্যাঙ্ক ফুল’ বন্ধ, বাইকে মিলছে মাত্র ২ লিটার!

Petrol Crisis: ‘ট্যাঙ্ক ফুল’ বন্ধ, বাইকে মিলছে মাত্র ২ লিটার!

ঘাটাল, দাসপুর ও চন্দ্রকোণা মিলিয়ে মহকুমায় প্রায় ২৫টি পেট্রল পাম্প রয়েছে।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামের একাধিক পেট্রল পাম্পে জ্বালানি সংকটের ছবি ক্রমশ স্পষ্ট হচ্ছে। কোথাও পাম্পের ভাঁড়ার একেবারে শূন্য, কোথাও বা সামান্য মজুত থাকায় দীর্ঘ লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে গ্রাহকদের। অধিকাংশ পাম্পেই পেট্রল বিক্রিতে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে। মোটরবাইকে দু’লিটারের বেশি পেট্রল দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ, গাড়ির ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ কনভয়ে ৫০% কাটছাঁট, সঙ্কটে ‘সাশ্রয়ী’ উদ্যোগ প্রধানমন্ত্রীর

সোমবার পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটাল মহকুমার বিভিন্ন পাম্পে তেল নেওয়ার জন্য উপচে পড়া ভিড় দেখা যায়। মঙ্গলবার সকালে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। কেউ তেল পেলেও অনেকেই কম পরিমাণ জ্বালানি পেয়ে হতাশ হয়ে ফিরে গিয়েছেন। ঘাটাল, দাসপুর ও চন্দ্রকোণা মিলিয়ে মহকুমায় প্রায় ২৫টি পেট্রল পাম্প রয়েছে। কয়েক দিন আগেও সেখানে জ্বালানি বিক্রি ছিল স্বাভাবিক।

প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি জ্বালানি সাশ্রয়ের পরামর্শ দেওয়ার পর থেকেই ঘাটাল মহকুমার অধিকাংশ পাম্পে বিক্রিতে নিয়ন্ত্রণ শুরু হয়েছে বলে অভিযোগ। যদিও পাম্প মালিকদের দাবি, এ বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি নির্দেশিকা তাঁদের হাতে পৌঁছয়নি। তবে ডিপো থেকে সরবরাহ কমানোর মৌখিক বার্তা এসেছে বলেই তাঁরা জানিয়েছেন। ফলে মোটরবাইক বা গাড়ি কোনও ক্ষেত্রেই ‘ট্যাঙ্ক ফুল’ করে তেল দেওয়া হচ্ছে না। যদিও ডিজেলের ক্ষেত্রে আপাতত তেমন সমস্যা দেখা যায়নি।

চন্দ্রকোণার গোঁসাইবাজার, ধরমপুর, বকুলতলা, খেজুরডাঙা এবং ঘাটালের কুশপাতা, জলসরা ও দাসপুরের বৈকুণ্ঠপুর-সহ একাধিক এলাকায় একই পরিস্থিতি। সোমবার রাত পর্যন্ত ঘাটালের কুশপাতা পাম্পে তেল নেওয়ার জন্য দীর্ঘ লাইন ছিল। মঙ্গলবার সকালে চন্দ্রকোণার গোঁসাইবাজার পাম্পে পেট্রল না পেয়ে বহু গ্রাহককে ফিরে যেতে দেখা যায়।

আরও পড়ুনঃ নিরাপত্তার দোহাই দিয়ে বন্ধ! অভিষেকের বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের বাড়ির সামনে দিয়ে ফের বাস চলবে কি?

তেল না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন সাধারণ লোকেরা। এ নিয়ে গোঁসাইবাজারের পাম্প মালিক তন্ময় দোলই জানান, ডিপো থেকেই সরবরাহে সমস্যা তৈরি হয়েছে। চন্দ্রকোণার ধরমপুরের এক পাম্প মালিক সমীর সামন্ত বলেন, “গত কয়েক দিন ধরে ডিপো থেকে প্রায় ৩০ শতাংশ কম তেল দেওয়া হচ্ছে। কোম্পানির তরফেও গ্রাহকদের কম করে তেল বিক্রির নির্দেশ এসেছে। তাই মোটরবাইকে ২ লিটার এবং গাড়িতে নির্দিষ্ট অঙ্কের বেশি তেল দেওয়া হচ্ছে না।”

অন্যদিকে পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুক ও হলদিয়ায় এখনও সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও কাঁথি মহকুমার বেশ কয়েকটি পাম্পে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। তেল না থাকায় সমস্যায় পড়ছেন গাড়িচালকেরা।

ঝাড়গ্রাম জেলায় হলদিয়া থেকেই পেট্রল ও ডিজেল আসে। কিন্তু গত কয়েক দিন ধরে প্রয়োজনমতো সরবরাহ মিলছে না বলে অভিযোগ পাম্প মালিকদের। গড়শালবনি এলাকার এক পাম্প ম্যানেজার অরুণ কুমার রথ জানান, এখনও পর্যন্ত বিক্রির পরিমাণ নিয়ে কোনও লিখিত নিষেধাজ্ঞা আসেনি। তবে জেরিকেনে তেল বিক্রি আপাতত বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন