কলকাতার ঐতিহাসিক একুশে জুলাই সমাবেশে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লিতে চলমান সিজেপি (CJP) আন্দোলনের প্রতি তৃণমূল কংগ্রেসের সমর্থন ফেরাতে ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, গণতান্ত্রিক পরিবেশ ও রীতিনীতি মানতে হবে, কিন্তু বিজেপি ভয় দেখানোর সংস্কৃতি চালাতে চাইছে। অন্যায়ের বিরুদ্ধে তৃণমূলের প্রতিবাদ রাজপথে অব্যাহত থাকবে এবং প্রয়োজনে নিজে দিল্লি গিয়ে আন্দোলনে যোগ দেবেন।
মুখ্যমন্ত্রী দিল্লি পুলিশের ছাত্র-যুবকদের ওপর লাঠিচার্জ ও ধরপাকড়ের তীব্র নিন্দাও জানিয়েছেন। সামাজিক মাধ্যমে তিনি লিখেছেন, “দেশের ভবিষ্যৎ যুবসমাজের ওপর পুলিশি নির্যাতন মেনে নেওয়া যায় না। গণতন্ত্র কখনো লাঠি বা কাঁদানে গ্যাসে চলে না।” তিনি আন্দোলনকারীদের সাহস ও প্রতিবাদের প্রশংসা করেছেন।
তবে মমতার এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং ‘বাছাই করে সহানুভূতি’ অভিযোগ তোলেন। তিনি প্রশ্ন করেন, “বাংলায় শিক্ষক চাকরিপ্রার্থীদের ওপর লাঠিচার্জের সময় কি মুখ্যমন্ত্রীর মনে এই প্রশ্ন উঠেছিল?”
আরও পড়ুনঃ ‘ওঁর বাপের নাম ঠিক থাকলে..’; অভিষেককে চ্যালেঞ্জ শুভেন্দুর
সংসদের আসন্ন বাদল অধিবেশন ও সিজেপি-র সংসদ অভিযানের কারণে দিল্লিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১৬৩ ধারার অধীনে অনুমতি ছাড়া পাঁচজনের বেশি জমায়েত নিষিদ্ধ এবং পুলিশ শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির পরামর্শ দিয়েছে।
দিল্লির গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ পদক্ষেপ নেয়ার ফলে যানজট সৃষ্টি হয়েছে এবং পরিস্থিতি কঠোর নজরদারিতে রয়েছে।


