বুধবার রাতে দিল্লির যন্ত্র মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) বিক্ষোভ পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে পরিণত হয়। বিক্ষোভকারীরা টলস্টয় মার্গ এলাকায় পুলিশকর্মীদের দিকে পাথর ছুড়লে অন্তত পাঁচ পুলিশকর্মী আহত হন। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কাঁদানে গ্যাসের শেল ছুড়ে এবং লাঠিচার্জ করে। কিছু এলাকায় ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়।
বিক্ষোভের ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে দেখা যায় পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে সংঘর্ষ চলছে। পুলিশ জানিয়েছে, ধর্নাস্থলে ‘সমাজবিরোধী’ কিছু ব্যক্তি প্রবেশ করে পুলিশকে লক্ষ্য করে পাথর ছোড়ে। আহত পুলিশকর্মীদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং তাদের অবস্থা স্থিতিশীল।

সন্ধ্যার পর যন্ত্র মন্তরে ভিড় ও উত্তেজনা বেড়ে যায়। ইন্ডিয়া গেট এলাকায় বিপুল সংখ্যক মানুষ সমবেত হয়। পাথর ছোড়া ও লাঠিচার্জের ঘটনা বারবার ঘটায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়। নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন বাড়ানো হয়েছে এবং গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলোতে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ দিল্লি পুলিশের গুন্ডামির ছবি তুলে ধরতে হবে ছাত্র-যুবদের, বললেন সেলিম
২০ জুলাই ককরোচ জনতা পার্টির ডাকা সংসদ অভিযানে পুলিশি বর্বরতা ও লাঠিচার্জের অভিযোগ ওঠে। বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীসহ অন্যান্য নেতারা ধর্নায় বসেন এবং পুলিশি বর্বরতার প্রতিবাদ করেন। রাহুল গান্ধী পুলিশের হাতে আহত হন এবং তিনটি প্রধান দাবিতে অনড় থাকার কথা জানান—কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ, হামলার দায়ীদের সনাক্তকরণ ও শাস্তি, এবং মোদী সরকারের ক্ষমা প্রার্থনা।
আজও বিক্ষোভ অব্যাহত থাকায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত এবং নিরাপত্তা বাহিনী সতর্ক রয়েছে।
দিল্লির এই সংঘর্ষ ও বিক্ষোভ পরিস্থিতি দেশের রাজনৈতিক পরিবেশে উত্তেজনা বৃদ্ধি করেছে এবং সরকারের বিরুদ্ধে চাপ বাড়িয়েছে।


