দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)-র ডাকা বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে মার্কিন দূতাবাস ১৭ জুলাই একটি আগাম নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করেছিল, যা ২০ ও ২১ জুলাইয়ের সম্ভাব্য বিক্ষোভ, যানজট ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দেয়। এর ফলে রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন ওঠেছে, মার্কিন দূতাবাস কীভাবে এত নির্দিষ্ট তথ্য পেয়েছে।

মার্কিন দূতাবাসের সতর্কতার মূল বক্তব্য
- ২০ জুলাই সংসদ ভবন ও যন্ত্র মন্তর সংলগ্ন এলাকা এড়িয়ে চলার পরামর্শ।
- বড় জমায়েত হওয়ার সম্ভাবনা ও দখলদার পুলিশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
- ২১ জুলাই কিষাণ ঘাটে কৃষক সংগঠনের বড় মিছিলের সম্ভাবনা।
- নিরাপত্তা বজায় রাখতে স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে চলার পরামর্শ।
আরও পড়ুনঃ আরশোলার দৌরাত্বে এত আগ্রহ শাবানার! ফাঁস ডিপ স্টেটের টাকা পাওয়া অভিনেত্রীর চক্রান্ত!
বিতর্কের কারণ
দিল্লি পুলিশ ১৮ জুলাই ট্রাফিক সংক্রান্ত নির্দেশিকা দেয়ার আগেই মার্কিন দূতাবাসের এত বিস্তারিত সতর্কতা রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন তোলে। তবে কূটনৈতিক মহল জানায়, দূতাবাসগুলো সাধারণত স্থানীয় সংবাদ, প্রশাসনিক সূত্র ও নিরাপত্তা মূল্যায়নের ভিত্তিতে সতর্কতা জারি করে থাকে, যা অস্বাভাবিক নয়।
আরও পড়ুনঃ নজিরবিহীন ঘটনা! বিধানসভা থেকে বের করে দেওয়া হল কুণাল ঘোষকে
‘ডিপ স্টেট’ ও জর্জ সোরোসের নাম উল্লেখ
সামাজিক মাধ্যমে ‘ডিপ স্টেট’ ও মার্কিন ধনকুবের জর্জ সোরোসের নাম যুক্ত হলেও কোনো সরকারি বা যাচাইযোগ্য প্রমাণ প্রকাশ পায়নি। সিজেপি-র নেতা অভিজিৎ দিপকের যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনা ও রাজনৈতিক অতীত নিয়েও আলোচনা রয়েছে, তবে দূতাবাসের সতর্কতার সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।

সরকারি অবস্থান
সরকার জানিয়েছে, সংসদ অভিযানের অনুমতি দেওয়া হয়নি, কিন্তু নিরাপত্তা বাহিনী সতর্ক ছিল এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে। মার্কিন দূতাবাসের সতর্কতার সঙ্গে কোনো আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের যোগসাজশের প্রমাণ এখনও পাওয়া যায়নি।
মার্কিন দূতাবাসের আগাম সতর্কতা ও দিল্লি বিক্ষোভ নিয়ে রাজনৈতিক ও নিরাপত্তার দৃষ্টিকোণ থেকে বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে, তবে এখনো এ নিয়ে স্পষ্ট প্রমাণ বা কূটনৈতিক স্বীকৃতি পাওয়া যায়নি।


