কাঁচরাপাড়ায় পুলিশি হেফাজতে মৃত তৃণমূল কর্মী বিরজু কেওটের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়লেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বীজপুরের রাস্তায় তাঁর গাড়ি ঘিরে ‘চোর’ স্লোগান দেওয়া হয়। গাড়ি লক্ষ্য করে ইট, কাদা ও ছেঁড়া চটি ছোড়ার অভিযোগও উঠেছে।
আরও পড়ুনঃ অপারেশন টেবিলে শুয়ে ‘সুহানি রাত ঢল চুকি’, যন্ত্রণার মাঝেই রফির গান গেয়ে চমকে দিলেন সোনু
মমতার অভিযোগ, পরিকল্পিত ভাবে বিজেপি কর্মীদের দিয়ে এই বিক্ষোভ করানো হয়েছে এবং পুলিশ তাঁদের বাধা দেওয়ার বদলে সুরক্ষা দিয়েছে। তিনি বলেন, “বড় বড় ইট ছোড়া হয়েছে। আমার মাথা ফেটে যেত, এখানে মরে যেতাম।”
নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জানান, ঘটনার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করা হবে। তাঁর সঙ্গে থাকা সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও দোলা সেনও প্রশাসনের ভূমিকার সমালোচনা করেন।

বিজেপির পাল্টা দাবি, মমতা এলাকায় রাজনৈতিক উসকানি দিতে গিয়েছিলেন। স্থানীয় মানুষই তার প্রতিবাদ করেছেন। তবে বিক্ষোভকারীদের রাজনৈতিক পরিচয় এবং ঠিক কী কী বস্তু গাড়ির দিকে ছোড়া হয়েছিল, তা নিয়ে দুই পক্ষের পরস্পরবিরোধী দাবি রয়েছে।
আরও পড়ুনঃ আরজি কর কাণ্ডের ২য় বর্ষপূর্তিতে ‘অভয়া দিবস’, নতুন তদন্তে আশা
তোলাবাজি-সহ একাধিক অভিযোগে বিরজু কেওটকে গ্রেপ্তার করেছিল হালিশহর থানার পুলিশ। আদালত তাঁকে পাঁচ দিনের পুলিশি হেফাজতে পাঠানোর পর শনিবার তাঁর মৃত্যু হয়।
বিরজুর স্ত্রী তথা কাঁচরাপাড়া পুরসভার প্রাক্তন কাউন্সিলর জেনি শর্মা কেওটের অভিযোগ, থানার লকআপে মারধরের কারণেই তাঁর স্বামীর মৃত্যু হয়েছে। এই অভিযোগের সত্যতা এখনও তদন্তসাপেক্ষ। ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও ময়নাতদন্তের রিপোর্ট প্রকাশের দাবি উঠেছে।


