Monday, 24 August, 2026
24 August
Homeআন্তর্জাতিক নিউজSpace X: চাঁদের বুকে স্পেসএক্সের রকেটের ধাক্কা! ৬০ ফুট চওড়া গর্ত তৈরি...

Space X: চাঁদের বুকে স্পেসএক্সের রকেটের ধাক্কা! ৬০ ফুট চওড়া গর্ত তৈরি করল ফ্যালকন-৯

অ্যাপোলো অভিযানের ছাপের মতোই এই গর্তটিও আগামী হাজার হাজার বছর চাঁদের বুকে অবিকৃতভাবে থেকে যাবে।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

বিশেষ বিজ্ঞান ও মহাকাশ প্রতিবেদন:

ইলন মাস্কের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা স্পেসএক্সের (SpaceX) অব্যবহৃত রকেট ‘ফ্যালকন-৯’ (Falcon-9) চাঁদের মাটিতে প্রচণ্ড গতিতে আছড়ে পড়ে তৈরি করেছে প্রায় ৬০ ফুট চওড়া ও ১০ ফুট গভীর এক বিশালাকার গর্ত। গত ৫ অগস্ট ঘণ্টায় প্রায় ৫,৪০০ মাইল গতিবেগে রকেটের উপরের অংশটি চন্দ্রপৃষ্ঠে ধাক্কা মারে। মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসার লুনার রিকনাইস্যান্স অরবিটার (LRO)-সহ বিভিন্ন দেশের টেলিস্কোপে এই বিরল ঘটনার ছবি ও তথ্য ধরা পড়েছে।

আরও পড়ুনঃ শুরু হলো ঐতিহ্যবাহী ঝুলন যাত্রা; প্রেম, ভক্তি ও মেলার আবহে মুখরিত বাংলা

ভুল কক্ষপথ থেকে সংঘর্ষ: কী ঘটেছিল?

  • অভিযানের নেপথ্যে: ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে দুটি বাণিজ্যিক লুনার ল্যান্ডার বহনের উদ্দেশ্যে ফ্যালকন-৯ রকেটটি উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল। কাজ সফলভাবে সম্পন্ন করার পর রকেটটির পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে পুড়ে যাওয়ার কথা ছিল।

  • কক্ষপথের বিভ্রম: কিন্তু বিজ্ঞানীদের হিসেব মিলিয়ে বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ না করে চার হাজার কেজি ওজনের রকেটটি মহাকাশেই পৃথিবীর চারপাশে ঘুরতে থাকে এবং একপর্যায়ে চাঁদের কক্ষপথের কাছাকাছি চলে যায়। ফলে চন্দ্রপৃষ্ঠে এর আছড়ে পড়া অনিবার্য হয়ে ওঠে।

বিজ্ঞানীদের পর্যবেক্ষণ ও আবিষ্কার

১১-১২ অগস্ট নাসার অরবিটার চন্দ্রপৃষ্ঠে নতুন এই গর্তটিকে চিহ্নিত করে। ছবি ও প্রাথমিক গবেষণায় উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য:

  • চন্দ্রগর্ভের উপাদান ছড়িয়ে পড়া: নাসার তোলা ছবিতে গর্তের কিনারা থেকে উজ্জ্বল রশ্মির মতো রেখা ছড়িয়ে পড়তে দেখা গেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, রকেটের তীব্র আঘাতে চাঁদের গভীর থেকে লিথিয়াম, সোডিয়ামসহ বিভিন্ন উপাদান ছিটকে বাইরে বেরিয়ে এসেছে।

  • চিরস্থায়ী দাগ: চাঁদে বায়ুমণ্ডল না থাকায় ক্ষয় বা বাতাসের প্রভাব নেই। তাই অ্যাপোলো অভিযানের ছাপের মতোই এই গর্তটিও আগামী হাজার হাজার বছর চাঁদের বুকে অবিকৃতভাবে থেকে যাবে।

আরও পড়ুনঃ মীরা ভট্টাচার্যের শারীরিক অবস্থা নিয়ে সোশাল মিডিয়ায় ভুয়ো খবর; কড়া আইনি ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি সুচেতনের

মহাকাশ-বর্জ্য (Space Junk) নিয়ে নতুন উদ্বেগ

চাঁদে এই দুর্ঘটনায় পৃথিবীর প্রত্যক্ষ ক্ষতি না হলেও মহাকাশ-বর্জ্য নিয়ে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞানীদের মধ্যে নতুন করে চিন্তা শুরু হয়েছে। রকেট বা উপগ্রহের পরিত্যক্ত অংশ মহাকাশে জমা হওয়া রোধে কোনো কড়া আন্তর্জাতিক আইন না থাকায়, আগামী দিনে মানুষের মহাকাশ অভিযান ও গবেষণার ক্ষেত্রে এই অনিয়ন্ত্রিত বর্জ্য বড়সড় বাধা বা বিপদ হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন