উৎসবের মরসুমে পেঁয়াজের দরবৃদ্ধি রুখতে এবং সাধারণ মানুষের স্বস্তি নিশ্চিত করতে কেন্দ্র সরকার খোলা বাজারে পর্যাপ্ত জোগান বজায় রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
আরও পড়ুনঃ আবারও দুঃসংবাদ! আগামী মাস থেকেই পকেটে টান; দৈনন্দিন জিনিসপত্রের দাম বৃদ্ধির আশঙ্কা
কেন্দ্রের প্রধান পদক্ষেপ ও উল্লেখযোগ্য দিকসমূহ
-
ভর্তুকিযুক্ত পেঁয়াজ বিক্রি: সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে রাখতে সরকার প্রতি কেজি ৩৫ টাকা দরে পেঁয়াজ বিক্রি করবে। এই পেঁয়াজ NAFED, NCCF, সফল (Safal) এবং কেন্দ্রীয় ভাণ্ডারের আউটলেট ও মোবাইল ভ্যানের মাধ্যমে পাওয়া যাবে।
-
‘কান্দা এক্সপ্রেস’ ও লজিস্টিক পরিবহন: বাফার স্টক থেকে বিপুল পরিমাণ পেঁয়াজ দ্রুত পৌঁছাতে মালবাহী ট্রেন ‘কান্দা এক্সপ্রেস’ ব্যবহার করা হচ্ছে। ২০২৫-২৬ সালে মোট ৮৬টি রেল রেকের মাধ্যমে প্রায় ৮৮,০০০ টন পেঁয়াজ দেশের ১৬টি প্রধান শহরে পাঠানো হচ্ছে।
-
সড়ক ও রেলপথে সরবরাহ: নাসিক থেকে নয়াদিল্লির উদ্দেশে রওনা দেওয়া প্রথম কান্দা এক্সপ্রেসের পাশাপাশি সড়কপথে কলকাতা, চেন্নাই, এরনাকুলাম, গুয়াহাটি, বারাণসী, লখনউ, পটনা, চণ্ডীগড়, জম্মু ও অমৃতসরে পেঁয়াজ সরবরাহ করা হচ্ছে।
-
উৎপাদন ও বাফার স্টক পরিস্থিতি: ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে পেঁয়াজের মোট উৎপাদন হয়েছে আনুমানিক ৩০৭.৩৭ লক্ষ মেট্রিক টন। পাশাপাশি ২ লক্ষ মেট্রিক টন বাফার স্টকের লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে ইতোমধ্যে প্রায় ১.২১ লক্ষ মেট্রিক টন সংগ্রহ করা হয়েছে। এবার পেঁয়াজ সংরক্ষণের দ্বায়িত্ব প্রথমবারের মতো পেয়েছে Central Warehousing Corporation।
-
রপ্তানি ও বাজার নজরদারি: দেশে পর্যাপ্ত জোগান থাকায় ২০২৬ সালের এপ্রিল-জুন পর্বে প্রায় ৩.৮২ লক্ষ মেট্রিক টন পেঁয়াজ রপ্তানিও বহাল রয়েছে। এছাড়া কেন্দ্রীয় উপভোক্তা বিষয়ক দফতর প্রতিদিন ৫৭৯টি কেন্দ্রে বাজারদর পর্যবেক্ষণ করছে।
আগামী ওনাম, গণেশ চতুর্থী, দুর্গাপূজা ও দেওয়ালি উপলক্ষে বাফার স্টক থেকে ধাপে ধাপে পেঁয়াজ বাজারে এনে দাম নিয়ন্ত্রণে রাখার কৌশল গ্রহণ করা হয়েছে।


