Sunday, 30 August, 2026
30 August
HomeকলকাতাVishwakarma Puja: গত ১৫ বছরের তৃণমূল আমলের শিল্পের মন্দা কাটিয়ে বদলের বাংলায়...

Vishwakarma Puja: গত ১৫ বছরের তৃণমূল আমলের শিল্পের মন্দা কাটিয়ে বদলের বাংলায় নতুন শিল্পের আশায় ২০২৬ সালের বিশ্বকর্মা পূজা

স্থাপত্য ও কারিগরি শিল্পের দেবতা বিশ্বকর্মার আরাধনায় মেতে উঠতে চলেছে দেশবাসী।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

বিশেষ সংবাদ প্রতিনিধি:

স্থাপত্য ও কারিগরি শিল্পের দেবতা বিশ্বকর্মার আরাধনায় মেতে উঠতে চলেছে দেশবাসী। এবছর অর্থাৎ ২০২৬ সালে বিশ্বকর্মা পুজো অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার (৩১ ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ)। যন্ত্রবিদ, নির্মাণকর্মী, কারিগর ও শ্রমিকেরা তাঁদের কাজের সফলতা এবং সুরক্ষার প্রার্থনা জানিয়ে কারখানা, অফিস ও কর্মস্থলে এই পুজোর আয়োজন করে থাকেন।

আরও পড়ুনঃ বাঙালি গড়তে চলেছে নতুন নজির! পুজোয় বেড়ানোর ঢল; পাহাড়ে দার্জিলিং-কাশ্মীর, বিদেশে থাইল্যান্ড-ভিয়েতনামের চাহিদা তুঙ্গে

বিশ্বকর্মা পুজো ২০২৬: এক নজরে

বিষয় তথ্য
উৎসবের নাম বিশ্বকর্মা পুজো ২০২৬
ইংরেজি তারিখ ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ (বৃহস্পতিবার)
বাংলা তারিখ ৩১ ভাদ্র, ১৪৩৩
তিথির বৈশিষ্ট্য সূর্য সংক্রান্তি (সূর্যের কন্যা রাশিতে গোচর)
মূল আকর্ষণ যন্ত্রপাতির পুজো, ঘুড়ি ওড়ানো ও অরন্ধন ব্রত

তিথি-নক্ষত্রের বিশেষত্ব

সাধারণত অধিকাংশ দেব-দেবীর পুজোর তিথি চাঁদের গতির ওপর ভিত্তি করে নির্ধারণ করা হলেও বিশ্বকর্মা পুজোর তারিখ স্থির হয় সূর্যের গতির ওপর নির্ভর করে।

  • সূর্য যখন সিংহ রাশি থেকে কন্যা রাশিতে প্রবেশ করে (কন্যা সংক্রান্তি), তখনই এই পুজোর তিথি শুরু হয়।

  • বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত ও সূর্য সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা অনুযায়ী, প্রতি বছর ভাদ্র মাসের শেষ দিনে (১৭ সেপ্টেম্বর) এই সংক্রান্তি তিথি ঘটে।

আরও পড়ুনঃ ফের বড়সড় স্বস্তি; গ্যাসের দাম কমল কয়েকশো টাকা

অরন্ধন বা মনসা পুজোর যোগ

ভাদ্র সংক্রান্তির এই বিশেষ দিনটিতে বিশ্বকর্মা পুজোর পাশাপাশি অনেক পরিবারে অরন্ধন ব্রত বা রান্না পুজো পালিত হয়।

  • এদিন ঘরে উনুন জ্বালানো নিষেধ থাকে।

  • আগের রাতে রান্না করা খাবার বা পান্তা ভাত খেয়ে এই ব্রত পালন করার নিয়ম প্রচলিত রয়েছে।

পুজোর নিয়মকানুন ও আচার-অনুষ্ঠান

১. কর্মস্থল ও যন্ত্রের শুচিতা: পুজোর দিন সকালে কারখানা বা কাজের জায়গা পরিষ্কার করে যন্ত্রপাতি চন্দন, সিঁদুর ও হলুদ দিয়ে ফোঁটা দেওয়া হয়।

২. স্থাপনা ও আরতি: শ্রী বিশ্বকর্মার প্রতিমা বা ছবি পূর্বমুখী করে বসিয়ে বৈদিক মন্ত্রপাঠ, পুষ্পাঞ্জলি এবং প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করে আরতি করা হয়।

৩. ভোগ নিবেদন: দেবতাকে ফল, নানাবিধ মিষ্টি ও ফুলের মালা নিবেদন করে কাজের নিরাপত্তা ও উন্নতির প্রার্থনা করা হয়।

৪. বিসর্জন ও আনন্দ উৎসব: পুজোর পরদিন নিয়ম মেনে প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয়। তবে বঙ্গ সংস্কৃতিতে বিশ্বকর্মা পুজোর দিন আকাশে রঙিন ঘুড়ি ওড়ানোর রেওয়াজ এক বিশেষ আনন্দের মাত্রা যোগ করে।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন