বিশেষ আন্তর্জাতিক সংবাদ:
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের উত্তেজনার মাঝেই মার্কিন সামরিক বাহিনীর অন্দরে দেখা দিল মারাত্মক সুরক্ষাসেঁধ। মার্কিন সেনাকর্তাদের একাংশের বিরুদ্ধে সেনার অতীব গোপন ও স্পর্শকাতর তথ্য ইরান সরকারের কাছে পাচার করার অভিযোগ উঠেছে। ওয়াশিংটনের অভ্যন্তরীণ এই ‘বিশ্বাসঘাতকতা’ বা তথ্য ফাঁস আটকাতে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। ‘সরষের ভেতরের ভূত’ চিহ্নিত করতে পেন্টাগনের অন্তত ৫০ জন শীর্ষ আধিকারিককে একসঙ্গে পলিগ্রাফ (Lie Detector) পরীক্ষার মুখোমুখি করা হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ আগুন নিভছে না ISRO-র! বেসরকারিকরণের ছোঁয়া লাগতেই আশঙ্কায় ইসরোর বিজ্ঞানীরা
ফাঁস হওয়া তথ্যের ধরণ ও তদন্তের গতিপ্রকৃতি
মার্কিন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেনার অন্দরমহল থেকে যে সমস্ত তথ্য বাইরে চলে যাচ্ছে, তা মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক:
-
ফাঁস হওয়া সংবেদনশীল তথ্য: সামরিক অভিযানের সুনির্দিষ্ট কৌশল, যুদ্ধক্ষেত্রে অস্ত্রের ঘাটতির পরিমাণ, সেনা মোতায়েনের মানচিত্র এবং শীর্ষ মার্কিন আধিকারিকদের গোপন আলোচনার বিবরণ প্রথমে সংবাদমাধ্যমে ও পরবর্তীতে সরাসরি ইরানি গোয়েন্দাদের হাতে পৌঁছে যাচ্ছে।
-
বিপুল সংখ্যক পলিগ্রাফ টেস্ট: জেরা করার পরও মূল অপরাধীদের ধরা না যাওয়ায় গত আগস্টে এক নজিরবিহীন পদক্ষেপে অন্তত ৫০ জন উচ্চপদস্থ সামরিক ও পেন্টাগন কর্তার পলিগ্রাফ পরীক্ষা করায় ট্রাম্প প্রশাসন। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, মার্কিন ইতিহাসে একসঙ্গে এত শীর্ষ সেনাকর্তার পলিগ্রাফ টেস্টের ঘটনা অত্যন্ত বিরল।
আরও পড়ুনঃ ‘অ্যাসিস্ট্যান্ট’ পরিচয়ের আড়ালে শিকল; জেফ্রি এপস্টেইনের নির্যাতনের রোমহর্ষক বিবরণ দিলেন জুলিয়া মলচানোভা
পেন্টাগনের প্রতিক্রিয়া ও ভূ-রাজনৈতিক চাপ
তদন্তের বিষয়ে মার্কিন প্রশাসন প্রকাশ্যে মুখ না খুললেও উদ্বেগের কথা স্বীকার করেছে:
মার্কিন সেনা সূত্রের খবর, কেবল পলিগ্রাফ টেস্টই নয়, সন্দেহভাজন সেনাকর্তাদের ডিজিটাল ডিভাইস ও যোগাযোগের মাধ্যমগুলোর ওপর এখন ২৪ ঘণ্টা কড়া নজরদারি চালাচ্ছে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলি।


