Saturday, 17 October, 2026
17 October
HomeদেশCJP: আদালতে আজই, দিপকে-কে গ্রেফতার করে নিল দিল্লি পুলিশ

CJP: আদালতে আজই, দিপকে-কে গ্রেফতার করে নিল দিল্লি পুলিশ

যন্তর মন্তর অভিযানের সময়ও মুম্বই বিমানবন্দর থেকে দিল্লিতে নামার পরই তাঁদের সতর্কতামূলক গ্রেফতার করা হয়েছিল।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

বিশেষ জাতীয় প্রতিনিধি, নতুন দিল্লি:


শুক্রবার দিনভর নাটকীয় পরিস্থিতির পর অবশেষে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা প্রধান অভিজিৎ দীপকেকে গ্রেফতার করল দিল্লি পুলিশ। শুক্রবার দিনভর নিজের আবাসন থেকে তাঁকে আটকে রাখার পর শনিবার ভোরে পুলিশের তরফে জানানো হয়, শান্তিভঙ্গের আশঙ্কা এড়াতে আগাম সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে ‘প্রিভেন্টিভ অ্যারেস্ট’ করা হয়েছে সিজেপির সর্বোচ্চ নেতৃত্বকে। শনিবারই তাঁকে দিল্লির বিশেষ এগ্‌‌জ়িকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের এজলাসে হাজির করাবে দিল্লি পুলিশ।

আরও পড়ুনঃ  বাংলাদেশ, নেপালের পথে ভারতে সরকার বদলের প্ল্যান? মোদী সরকারকে তীব্র আক্রমণ প্রকাশ রাজের

পুলিশ সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঠেকাতে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার (বিএনএসএস) ১২৬ এবং ১৭০ ধারায় গ্রেফতার করা হয়েছে দীপকেকে। উল্লেখ্য, এই ১৭০ নম্বর ধারায় কোনো ধরনের আদালতের পরোয়ানা বা ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশ ছাড়াই যেকোনো সম্ভাব্য অপরাধ বা আইনশৃঙ্খলা বিঘ্ন হওয়া ঠেকাতে পুলিশ যেকোনো ব্যক্তিকে সরাসরি হেফাজতে নিতে পারে।

সিজেপির দুই মুখ সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কা আগেই পুলিশি হাতে গ্রেফতার হয়ে বর্তমানে তিহাড় জেলে জেল হেফাজতে রয়েছেন। এবার তাঁদের দলের প্রতিষ্ঠাতা প্রধানকেও একইভাবে গ্রেফতার করল কেন্দ্র নিয়ন্ত্রিত দিল্লি পুলিশ। অন্যদিকে, শনিবার সকালে সিজেপির আইনি দলের প্রধান আইনজীবী রত্না সিংহ অভিযোগ তোলেন, দীপকেকে ঠিক কোন থানায় বা কোথায় আটকে রাখা হয়েছে, তা দলের কাউকেই জানানো হচ্ছে না। এমনকি তাঁর আইনজীবীদেরও দেখা করতে দেওয়া হচ্ছে না বলে তোপ দাগেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ  হাই কোর্টের নির্দেশ খারিজ! সন্দীপকে জামিন দিল সুপ্রিম কোর্ট; ক্ষুব্ধ নির্যাতিতার পরিবার

এর আগে যন্তর মন্তর অভিযানের সময়ও মুম্বই বিমানবন্দর থেকে দিল্লিতে নামার পরই তাঁদের সতর্কতামূলক গ্রেফতার করা হয়েছিল। পরবর্তীতে ‘এক বছর শান্তি বজায় রাখার’ মুচলেকায় জামিন পেলেও, পুলিশি বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে যন্তর মন্তরে যাওয়ায় ফের তাঁদের গ্রেফতার করে পাঁচ দিনের জেল হেফাজতে পাঠানো হয়।

অন্য দিকে, শুক্রবার কনট প্লেসের ‘তেরঙা ওড়াও’ কর্মসূচিতে যোগ দিতে গিয়ে দীপকের পাশাপাশি আটক হয়েছিলেন আইসা নেত্রী নেহা বোরাও। শুক্রবার রাতে পুলিশি হেফাজত থেকে মুক্তি পাওয়ার পর নেহা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে নাগরিকদের মনে ভয় ঢোকানোর চক্রান্ত বলে দাবি করে তিনি বলেন, বিনা কারণে আন্দোলনকারীদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে রাখা হচ্ছে। কেন এই অবৈধ আটক? শুধুই সাধারণ মানুষের মনে অকারণ ভয় ও আতঙ্ক তৈরি করার জন্য এই সব করা হচ্ছে।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন