বিশেষ প্রতিবেদন:
এ বছর শারদোৎসবে ছিল জোড়া সপ্তমী। আর আগামী বছর? পঞ্জিকার সম্ভাব্য নির্ঘণ্ট বলছে, ২০২৭ সালের দুর্গাপুজোয় থাকছে দু’দিন অষ্টমী। ফলে পুজোর আনন্দ উপভোগ করার জন্য মিলতে পারে বাড়তি একটি দিন। দুর্গাপুজোর দিনক্ষণ ঘিরে এখন থেকেই কৌতূহল তৈরি হচ্ছে বাঙালির মনে। যদিও ২০২৭ সালের পুজো আসতে এখনও পুরো একটি বছর বাকি। তবে প্রত্যেক বার দশমীতেই বাঙালি জেনে নিতে চায় পরের বছর দেবীর আগমনের সূচি।
আরও পড়ুনঃ মাগো এ বার বিদায় তবে, আসছে বছর আবার হবে! শুভ বিজয়ার শুভেচ্ছা
পঞ্জিকাভিত্তিক হিসেব অনুযায়ী, ২০২৭ সালে মহালয়া পড়ছে ২৯ সেপ্টেম্বর, বুধবার। অর্থাৎ, পিতৃপক্ষের অবসান ঘটিয়ে দেবীপক্ষের সূচনা হবে সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহে। তার পর অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহ থেকেই শুরু হবে দুর্গাপুজোর মূল পর্ব। ষষ্ঠী ৫ অক্টোবর, মঙ্গলবার। পরের দিন, ৬ অক্টোবর বুধবার সপ্তমী। আর ৭ অক্টোবর, বৃহস্পতিবার অষ্টমী।
তবে আগামী বছরের পুজোর নির্ঘণ্টে বিশেষ নজর কাড়ছে ৮ অক্টোবর, শুক্রবার। সম্ভাব্য সূচি অনুযায়ী, ওই দিনও অষ্টমী তিথি এবং সন্ধিপুজোর পর্ব থাকছে। ফলে ৭ ও ৮ অক্টোবর— দু’দিন ধরেই অষ্টমীকে কেন্দ্র করে পুজোর আবহ বজায় থাকার সম্ভাবনা। এ বছর জোড়া সপ্তমীর পর আগামী বছর দু’দিন অষ্টমীর এই বিন্যাস উৎসবপ্রেমীদের কাছে বাড়তি উৎসাহের জায়গা হয়ে উঠবে।
আগামী বছরের ৯ অক্টোবর, শনিবার নবমী। পরের দিন, ১০ অক্টোবর রবিবার দশমী। অর্থাৎ, সপ্তাহান্তে দশমী পড়ায় অনেকেরই প্রতিমা দর্শন, সিঁদুরখেলা এবং বিজয়ার শুভেচ্ছা বিনিময়ের জন্য পরিকল্পনা সাজানোর সুযোগ থাকবে। কর্মব্যস্ত মানুষের কাছে ছুটির দিনগুলির সঙ্গে পুজোর দিনক্ষণ মেলানোও গুরুত্বপূর্ণ। সেই দিক থেকে আগামী বছরের সম্ভাব্য নির্ঘণ্ট আগাম পরিকল্পনার ক্ষেত্রে কাজে আসতে পারে।
আরও পড়ুনঃ দেবীবরণের কুলোর খোঁজে বাঙালি; বদলের হাওয়ায় ‘মডার্ন’ হয়েছে বরণডালা
দুর্গাপুজোর পরেও উৎসবের রেশ অবশ্য কাটবে না। ১৪ অক্টোবর, বৃহস্পতিবার পড়ছে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো। ফলে দুর্গোৎসবের পর লক্ষ্মীপুজোকে ঘিরেও বাঙালির ঘরে ঘরে চলবে প্রস্তুতি।
বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত, বেনীমাধব শীল এবং গুপ্ত প্রেসের মতো বিভিন্ন পঞ্জিকায় তিথি গণনা ও নির্ঘণ্টে কিছুটা পার্থক্য থাকতে পারে। বিশেষ করে অষ্টমী, সন্ধিপুজো এবং নবমীর সময় নির্ধারণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট পঞ্জিকার চূড়ান্ত হিসেব গুরুত্বপূর্ণ। তাই আগামী বছরের পুজোর সময়সূচি আগাম জেনেই ছুটি, ভ্রমণ কিংবা পারিবারিক পরিকল্পনা ইতিমধ্যেই শুরু করে দিয়েছেন উৎসবপ্রেমী বাঙালি।


