নিজস্ব সংবাদদাতা, বারাসত: সাতসকালে বিকট বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে উঠল বারাসতের নীলগঞ্জ এলাকা। ধোঁয়ায় ঢেকে যায় চারপাশ। পরবর্তীতে জানা যায়, নীলগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির ভেতরে মজুত রাখা বাজি থেকেই এই বিস্ফোরণ ঘটেছে।
আরও পড়ুনঃ পশ্চিমবঙ্গে ৩০,০০০ কোটি টাকার মেগা বিনিয়োগ: ৩টি নতুন তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে অনুমোদন দিল রাজ্য সরকার
পুলিশ সূত্রে খবর, গত ২-৩ দিন আগে স্থানীয় বিভিন্ন এলাকা থেকে বাজেয়াপ্ত করা বেআইনি বাজি ফাঁড়ির ভেতরেই রাখা হয়েছিল। মঙ্গলবার ভোররাতে আচমকাই সেই বাজিতে আগুন লেগে যায় এবং পরপর একাধিক বিস্ফোরণ ঘটতে থাকে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দমকলের ইঞ্জিন এবং আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবর নেই।

তবে জনবহুল এলাকার মধ্যে অবস্থিত ফাঁড়িতে এভাবে বাজি মজুত রাখা এবং তার থেকে বিস্ফোরণের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও আতঙ্ক ছড়িয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে। বাজি উদ্ধারের পর তা কেন নিরাপদ বা উপযুক্ত স্থানে নিষ্ক্রিয় করার ব্যবস্থা করা হলো না, তা নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েছে পুলিশ প্রশাসন।
আরও পড়ুনঃ জলপাইগুড়িতে নতুন বিশ্ববিদ্যালয় ও পুজোয় বন্ধ চা বাগান খোলার ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের আগস্ট মাসে দত্তপুকুরের বেআইনি বাজি কারখানায় মর্মান্তিক বিস্ফোরণে ৯ জনের মৃত্যুর ঘটনাতেও এই নীলগঞ্জ ফাঁড়ির গাফিলতির অভিযোগ উঠেছিল এবং তৎকালীন ওসি-কে সাসপেন্ড করা হয়েছিল। এবার খোদ সেই ফাঁড়ির ভেতরেই বাজি বিস্ফোরণের ঘটনায় প্রশাসনিক নিরাপত্তা ও নজরদারি নিয়ে ফের নতুন করে বিতর্ক তৈরি হলো।


