ডিম কিনতে গিয়ে কপালে ভাঁজ পড়ছে সাধারণ ক্রেতার। কয়েক দিন আগেও যে ডিম সাড়ে সাত টাকা দরে মিলছিল, এখন অনেক বাজারে সেই দাম পৌঁছেছে আট টাকা বা তারও বেশি। ফলে জোড়া ডিম কিনতেই খরচ হচ্ছে প্রায় ১৬ টাকা।
গরমের সময় ডিমের আকার কিছুটা ছোট হয় বলেই জানাচ্ছেন ব্যবসায়ীদের একাংশ। তার সঙ্গে জোগানের টান এবং বাজারে বাড়তি চাহিদা মিলে দাম আরও চড়ছে বলে দাবি তাঁদের।
ব্যবসায়ীদের বক্তব্য, সাধারণত এই সময় ডিমের দাম পাঁচ থেকে সাড়ে পাঁচ টাকার মধ্যে থাকে। কিন্তু বর্তমানে খুচরো বাজারে দাম অনেকটাই বেড়ে যাওয়ায় চাপ পড়েছে মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারের রান্নাঘরে।
আরও পড়ুনঃ ভয় ধরানো বজ্রপাত ও মুষলধারায় বৃষ্টি আগামী দিনগুলোতেও বজ্রপাত বৃষ্টি জারি থাকবে
এদিকে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় রাজনৈতিক প্রতিবাদে ডিম ছোড়ার ঘটনাও সামনে এসেছে। ব্যবসায়ীদের একাংশের দাবি, খাবার হিসেবে ব্যবহারের বদলে ডিম নষ্ট হওয়াও বাজারে অস্বাভাবিক চাহিদার একটি কারণ হতে পারে।
তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, দাম বাড়ার পিছনে শুধু একটি কারণ নয়; জোগান, পরিবহণ খরচ, পাইকারি বাজারের ওঠানামা এবং মরশুমি প্রভাব—সব মিলিয়েই বাজারদর নির্ধারিত হয়।
ক্রেতাদের অভিযোগ, ডিম বহু পরিবারের কাছে সস্তা প্রোটিনের প্রধান উৎস। সেই ডিমের দাম যদি এভাবে বাড়ে, তা হলে সাধারণ মানুষের পুষ্টির খরচও বেড়ে যাবে।
আরও পড়ুনঃ সামুরাই সূর্যাস্ত; শিষ্য জাপানকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় গুরু ব্রাজিল
রাজনৈতিক প্রতিবাদ নিয়ে মতভেদ থাকলেও খাদ্যপণ্যের অপচয় নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। অনেকের মতে, প্রতিবাদ গণতান্ত্রিক অধিকার হলেও খাদ্যের অপচয় এড়ানোই উচিত।
এই প্রতিবেদনটি বাজারদর, ব্যবসায়ীদের বক্তব্য ও সংবাদসূত্রে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি। ডিমের দাম এলাকা, দোকান এবং সরবরাহ পরিস্থিতি অনুযায়ী পরিবর্তিত হতে পারে।
খাদ্যদ্রব্যের দাম বাজার ও সরবরাহ পরিস্থিতি অনুযায়ী পরিবর্তনশীল।


