Monday, 22 June, 2026
22 June
HomeকলকাতাWB Panchayat: TMC জমানায় পাস হওয়া সমস্ত পঞ্চায়েতের টেন্ডার বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা;...

WB Panchayat: TMC জমানায় পাস হওয়া সমস্ত পঞ্চায়েতের টেন্ডার বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা; খবর সূত্রের

তৃণমূল জমানায় পাস হওয়া সমস্ত সরকারি কাজের টেন্ডার বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

তৃণমূল জমানায় পাস হওয়া সমস্ত সরকারি কাজের টেন্ডার বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতর সূত্রে এমনটাই জানা গিয়েছে। সূত্রের খবর, তৃণমূল পরিচালিত সরকারের সময় সেই প্রকল্পগুলির টেন্ডার হয়েছিল। সেই টেন্ডার পেতে দুর্নীতি হয়েছে। তাই তা বাতিল হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত, বদলে যাচ্ছে কলকাতার রাস্তার নাম; ‘রক্তমাখা ইতিহাস’ মুছে দিল কলকাতা পুরসভা

পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতর সূত্রের খবর, তৃণমূল জমানায় গ্রামে উন্নয়নমূলক প্রকল্পের কাজ করার জন্য টেন্ডার করা হয়েছিল। টেন্ডার কোন সংস্থা পাবে তা ঠিকও হয়ে রয়েছে। কিন্তু অর্থ বরাদ্দ না হওয়ায় কাজ থমকে রয়েছে। এর মাঝেই বিধানসভা নির্বাচন হয়েছে। তৃণমূলের ভরাডুবি হয়েছে। বিজেপি বিপুল আসন নিয়ে রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছে। তাই সেই কাজ এখনও শুরু করা যায়নি।

পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতর সূত্রের আরও জানা গিয়েছে, হাওড়ার শহরতলির কোনও এক বিধানসভার তৃণমূল বিধায়ক পঞ্চায়েত দফতরের আগের আমলের বকেয়া কাজ চালু করার জন‍্য অর্থ বারাদ্দের প্রস্তাব নিয়ে দফতরের দারস্থ হয়েছিলেন। দফতর তাঁকে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, আগের টেন্ডারে কোনও কাজ হবে না। নতুন করে টেন্ডার হবে। তার পরেই উন্নয়নমূলক কাজ শুরু হবে। প্রসঙ্গত, সেই বিধায়কের বিরুদ্ধেও তৃণমূল জমানায় টেন্ডার পেতে স্বজনপোষনের অভিযোগ রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ কড়া অবস্থান, ফোকাসে চিকেনস নেক লাগোয়া নদীপথ! ময়দানে ‘আন্ডারওয়াটার সেন্সর’

বিরোধী দলনেতা থাকাকালীন রাজ‍্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর একাধিক বার পঞ্চায়েতে দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন। পথশ্রী প্রকল্পের নামে ‘লুটশ্রী’ চলছে বলেও দাবি করেছিলেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, বাজেটে কোনও বরাদ্দ নেই, কোনও তহবিল নেই। তা সত্ত্বেও টেন্ডার ডাকা হচ্ছে। তিনি ঠিকাদারদের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন, “আগে থেকে আপনারা ৭ থেকে ১০ শতাংশ টাকা জমা দিয়েছেন। এই টাকা ফেরত পাবেন না। তাই আপনাদের কাছে অনুরোধ রইল, কাজে হাত দয়া করে দেবেন না।” গত ২০২২ সালে কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলি বাস্তবায়ন করতে দুর্নীতি হয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখতে গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের প্রতিনিধি দল রাজ‍্যে এসেছিল। সেই সময় পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরি এবং পটাশপুরের দুটি পঞ্চায়েতে দুর্নীতির কাগজপত্র পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে বলেও শুভেন্দু অধিকারী অভিযোগ করেছিলেন।

তৃণমূলের জমানায় জেলায় জেলায় এই দফতরে টেন্ডার পাস করানোর নামে স্বজনপোষনের অভিযোগ উঠেছে। তৃণমূলের নেতাদের বিরুদ্ধে টাকা নিয়ে টেন্ডার পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করারও অভিযোগ উঠেছে। আবার কোথাও কাজই হয়নি অথচ ফলকে মোটা অক্ষরে কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে বলে লেখা হয়ে গিয়েছে।

ওই দিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের, দফতরের সচিবকেও এক সূত্রে টেনে দুর্নীতির অভিযোগ করেছিলেন তৎকালীন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

 

 

 

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন