তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কার্যালয় চলে গিয়েছিল সিআইডি। তল্লাশি চালানো হয়েছিল কিন্তু গোয়েন্দাদের হাতে আসেনি সই করা রেজোলিউশান বই হাতে আসেনি তাঁদের। তলব করেছেন অভিষেককে। কিন্তু সূত্রের খবর তাঁর উত্তর ছিল তিনি জানেন না রেজোলিউশন বই কোথায়। অবশেষ খোঁজ মিলল সেই ‘গুপ্তধনের’। বিধায়কদের সই জালিয়াতির তদন্তে অবশেষে সিআইডির হাতে এলে রেজোলিউশন বুক। আর সেটা মিলল বালিগঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে।
আরও পড়ুনঃ বিবেকানন্দ থেকে ভারতমাতা, কলকাতার আকাশে ৩০০০ ড্রোনের খেলা; উৎসবের আবহে City Of Joy
শনিবার শোভনদেবের বাড়িতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য যান রাজ্য গোয়েন্দা আধিকারিকরা। আধ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে এই কেসের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে জানতে চান তাঁরা। রেকর্ড করা হয় বিধায়কের বয়ান। আর সেখান থেকেই রেজোলিউশন বইয়ের কপি তদন্তকারীদের হাতে এসেছে বলে সিআইডি সূত্রে খবর। এবার রেজলিউশন বুকে থাকা বিধায়কদের সই মিলিয়ে দেখবেন সিআইডি আধিকারিকরা।
মূলত, বিরোধী দলনেতা কে হবেন, উপদলনেতা কে হবেন আর পরিষদীয় দলের বাকি দলে কে কে থাকবেন তার একটি রেজুলিউশন পাশ হয়। নিয়ম অনুযায়ী এই রেজুলিউশন কপির একটি যায় বিধানসভার অধ্যক্ষের কাছে, আর একটি থাকে দলের কাছে। আর দলের মূল কার্যালয়ই হল ৩০ বি হরিশ চট্টোপাধ্যায় স্ট্রিট। ঘটনাচক্রে যা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িও। কিন্তু তল্লাশিতে সেই রেজুলিউশন কপি মেলেনি। দ্বিতীয়ত, বইটি থাকতে পারে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের কাছে। কিন্তু অভিষেক বলছেন, তিনি জানেন না। সেই বই মিলল শোভনদেবের বাড়ি থেকে।
আরও পড়ুনঃ কমলা ঝড়ে বিধ্বস্ত সুইডেন, পাঁচ গোলে শীর্ষে নেদারল্যান্ডস
রাজ্যে পালা বদলের পর শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা করতে চেয়ে স্পিকারের কাছে রেজলিউশন কপি জমা পড়ে। তবে, বিদ্রোহী একাংশ বিধায়কদের দাবি, রেজলিউশন কপিতে যাঁদের সই ছিল সেই সকল বিধায়কদের অনেকেই অনুপস্থিত ছিলেন। তাহলে সই করল কে? তারপরই স্পিকার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন।


