বিজেপির মতো সুসংগঠিত দলের বিরুদ্ধে আন্দোলনকে চূড়ান্ত জায়গায় নিয়ে যেতে হলে রাহুলের উদ্যোগের পাশাপাশি অবিলম্বে কংগ্রেস ও সিজেপি-র এই অনভিপ্রেত অহমের লড়াই বন্ধ হওয়া জরুরি।
সাংবাদিকদের এই বেপরোয়া শারীরিক নিগ্রহ ও ধর্মীয় বৈষম্যের ঘটনায় কেবল দিল্লি পুলিশ নয়, বরং সরাসরি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের ভূমিকা নিয়ে দেশজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে।