তিনতলায় দাঁড়িয়ে আছেন। আর নীচ থেকে তাঁদের লক্ষ্য করে ডিম এবং বেগুন ছোড়া হচ্ছে বলে অভিযোগ তুললেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র। ফেসবুকে লাইভ করে পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগও তুলেছেন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ। তিনি দাবি করেছেন, আজ কালীগঞ্জে বৈঠকের সময় দলীয় কার্যালয় ঘেরাও করেন বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা। নীচ থেকেই পচা বেগুন, ডিম-সহ অন্যান্য জিনিসপত্র ছোড়া হয় বলে দাবি করেছেন মহুয়া। দেওয়া হয় ‘গো ব্যাক’ স্লোগানও। সেইসঙ্গে তিনি অভিযোগ করেছেন, পুলিশ কোনও পদক্ষেপ করছে না। রাজ্য পুলিশের ডিজি সিদ্ধিনাথ গুপ্তাকে জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন মহুয়া।
মুখ লুকিয়ে পালিয়ে যাব না, দাবি মহুয়ার
তৃণমূল সাংসদ দাবি করেছেন, ‘আমি এখানেই দাঁড়িয়েই আছি। ওরা চায়, আমি মুখ লুকিয়ে (পালিয়ে যাই)। পুলিশের একটাই কাজ – গাড়িয়ে ঢুকিয়ে আমায় বাইরে পাঠিয়ে দেওয়া। এটা আমার লোকসভা। আমি নির্বাচিত সদস্য। চারটে বিজেপির গুন্ডার জন্য আমি এলাকা ছেড়ে যাব না। পুলিশের কাজ হল, এই ভিড়টা ছত্রভঙ্গ করা। পুলিশের কাজ আমি গাড়িতে ঢোকানো হয়। ওঁরা এখনও দাঁড়িয়ে আছেন। পুলিশ মজা দেখছে।’
আরও পড়ুনঃ মেগা কেলেঙ্কারি ‘সেবাশ্রয়’ ঘিরেও; তোলপাড় রাজ্য
অনেক নেতাই লুকিয়ে পড়েছেন, কটাক্ষ মহুয়ার
সেইসঙ্গে তৃণমূল সাংসদ দাবি করেন, তিনি সেখানেই দাঁড়িয়ে থাকবেন। পুলিশ যতক্ষণ না বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করছে, ততক্ষণ তিনি দলীয় কার্যালয়ে থাকবেন বলে দাবি করেছেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ। তারইমধ্যে তৃণমূল নেতা-কর্মীদেরই কটাক্ষ করে মহুয়া দাবি করেন, ডিম ছোড়া হলেও তিনি জানালার সামনে দাঁড়িয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘লাইভ’ করছেন। কিন্তু বৈঠকে যোগ দিতে আসা অনেক নেতাই পিছনে লুকিয়ে পড়েছেন বলে কটাক্ষ করেন।
আরও পড়ুনঃ ‘জ্যোতিবাবুর বলা একটি কথা মনে পড়ছে…’, বললেন শুভেন্দু
গণতন্ত্রের জন্য ডিম খেতেও রাজি, হুংকার মহুয়ার
যদিও পুরো বিষয়টি নিয়ে পুলিশের তরফে আপাতত কোনও মন্তব্য করা হয়নি। কোনও মন্তব্য করা হয়নি বিজেপির তরফেও। মহুয়া অবশ্য দাবি করেছেন, আজকের ঘটনায় পশ্চিমবঙ্গের আইন-শৃঙ্খলা ব্যবস্থার হাল প্রকাশ্যে এসে গেল। আর গণতন্ত্রের জন্য দুটো ডিম খেতে হলেও খাবেন বলে দাবি করেছেন কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ।


