অন্নপূর্ণার টাকা পেয়েও ফের যাচাই! অযোগ্য হলে ফেরত দিতে হতে পারে ভাতা
৩,০০০ টাকা ঘিরে নতুন সতর্কবার্তা
অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাওয়া মানেই চূড়ান্ত অনুমোদন—এমনটা ধরে না নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে প্রশাসনিক মহল। প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, তথ্য গোপন করে বা ভুল তথ্য দিয়ে কেউ ভাতা পেয়ে থাকলে তাঁর আবেদন ফের খতিয়ে দেখা হতে পারে। অযোগ্য প্রমাণিত হলে টাকা ফেরতের মুখেও পড়তে হতে পারে সংশ্লিষ্ট উপভোক্তাকে।
কী বললেন অগ্নিমিত্রা?
পুর ও নারী-শিশুকল্যাণ মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল জানিয়েছেন, অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা বণ্টনের আগে ও পরে তথ্য যাচাই প্রক্রিয়া গুরুত্ব দিয়ে করা হচ্ছে। তাঁর বক্তব্য, প্রকল্পের সুবিধা শুধু যোগ্য আবেদনকারীদের কাছেই পৌঁছবে। তাই নথিতে অসঙ্গতি থাকলে কিছু নাম বাদ পড়ার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
বাড়ি বাড়ি যাচাই শুরু
যাঁদের আবেদন আগে বাতিল হয়েছিল বা নথিতে সমস্যা ধরা পড়েছে, তাঁদের তথ্য নতুন করে মিলিয়ে দেখা হচ্ছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর। প্রয়োজনে বাড়ি বাড়ি গিয়ে আবেদনকারীর পরিচয়, নথি, ব্যাঙ্কের তথ্য এবং অন্যান্য সরকারি রেকর্ড যাচাই করা হচ্ছে।
কোন তথ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে?
আবেদনকারীর দেওয়া তথ্য ভোটার তালিকা-সহ সরকারি নথির সঙ্গে মেলানো হতে পারে। পাশাপাশি, সিএএ বা ট্রাইব্যুনাল-সংক্রান্ত আবেদন থাকলে সেই নথিও যাচাইয়ের আওতায় আসতে পারে বলে মন্ত্রী জানিয়েছেন। তবে শুধুমাত্র যাচাই মানেই আবেদন বাতিল—এমন নয়।
আরও পড়ুনঃ মান্তু-সুব্রত বনাম কস্তুরী-মৃন্ময়; শিলিগুড়ির টেবিল টেনিসে অন্তর্দ্বন্দ্ব
ভুল হলে সংশোধনের সুযোগও আছে
সরকারি পোর্টালের মাধ্যমে আবেদনকারীরা নিজেদের স্টেটাস দেখতে পারেন। মোবাইল নম্বর ও ওটিপি ব্যবহার করে আবেদন সংক্রান্ত তথ্য দেখা যায়। প্রয়োজন হলে স্থানীয় ব্লক অফিস, পুরসভা বা সরকারি সহায়তা কেন্দ্রে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
যোগ্যরা যাতে বঞ্চিত না হন
সরকারের বক্তব্য, প্রকল্পের লক্ষ্য যোগ্য মহিলাদের মাসিক আর্থিক সহায়তা দেওয়া। ইতিমধ্যেই বহু আবেদন যাচাইয়ের পর অনুমোদিত হয়েছে এবং বহু আবেদন বাতিলও হয়েছে বলে প্রকাশিত রিপোর্টে উল্লেখ।
Disclaimer: টাকা ফেরত বা আবেদন বাতিলের সিদ্ধান্ত সরকারি যাচাই ও নিয়মের উপর নির্ভরশীল। এই প্রতিবেদন তথ্যভিত্তিক; কোনও ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে অভিযুক্ত করার উদ্দেশ্য নয়।


